তিনবার জীবন পেয়ে শেফালির দাপট!

ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস। এই কথার জ্বলন্ত প্রমাণ পেল বাংলাদেশ। তিনবার শেফালি ভার্মাকে জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার খেসারত গুনতে হলো। ভারতকে বড় সংগ্রহের পথে ঠেলে দেওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখলেন শেফালি।

ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস। এই কথার জ্বলন্ত প্রমাণ পেল বাংলাদেশ। তিনবার শেফালি ভার্মাকে জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার খেসারত গুনতে হলো। ভারতকে বড় সংগ্রহের পথে ঠেলে দেওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখলেন শেফালি।

সেমিফাইনাল ম্যাচের চাপ এমনিতেই ঘাড়ের উপর নিশ্বাস নিচ্ছিল। তার উপর প্রতিপক্ষ যখন ভারত, সেই চাপ আরও দ্বিগুণ হয়ে যায়। শক্তিশালী দলের বিপক্ষে লড়তে হলে মূলমন্ত্র একটাই, কোনো ভুল করা যাবে না।

তবে বাংলাদেশ শুরু থেকেই ভুলের পসরা সাজিয়ে বসেছে। শেফালি ভার্মা ফিরতে পারতেন মাত্র ছয় রানে। বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে ফাহিমা খাতুন হাতছাড়া করলেন সহজ সুযোগ। ব্যস, বেঁচে গেলেন শেফালি।

তবে ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ ছিল। খুব বেশি ক্ষতি হয়নি তখনও। জীবন পাওয়ার পর মাত্র ছয় রান যোগ করেন। অর্থাৎ ১২ রানের মাথায় আরও একবার ক্যাচ তুলে দেন তিনি। সে যাত্রায় বাংলাদেশ মস্তবড় ভুল করে বসল। এরপর থেকেই তাণ্ডব চালান শেফালি। দুইবার জীবন পেয়ে সে জীবনকে যেভাবে কাজে লাগানো দরকার, সেভাবেই লাগিয়েছেন তিনি।

চার-ছক্কার ফুলঝুরি ধরা দেয় তাঁর ব্যাটে। মাত্র ৩৫ বলেই তুলে নেন ফিফটি। বাংলাদেশের সম্ভাবনার যে আলোটা মিটমিটি জ্বলছিল, সেটা একটু একটু করে নিভিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নেন শেফালি। ৫৬ রানের মাথায় আরও একবার একটা সুযোগ দিলেন তিনি। তবে এ যাত্রায়ও বেঁচে যান। আরও একবার ক্যাচ হাতছাড়া করে বলটাকে বাউন্ডারির বাইরে পাঠানো হয়।

শেষমেষ যখন থামলেন, নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে ৪০ বলে ৬৪ রানের ইনিংস। সাত চার আর তিন ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেটটাও ছিল ১৬০। শেফালি যখন ফিরেছেন, দলের রান তখন ৯২। তবে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের যা ক্ষতি সাধন করা সম্ভব, তা করে দিয়ে গেছেন তিনি।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link