ওলিসের কল্যাণেই বায়ার্নের উড়ন্ত সূচনা!

মাইকেল ওলিসের জাদুকরী পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়নস লিগের শুরুতেই এফকে বোডো গ্লিমটকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ।

মাইকেল ওলিসের জাদুকরী পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়নস লিগের শুরুতেই এফকে বোডো গ্লিমটকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। প্রথমার্ধ গোলশূন্য শেষ হলেও দ্বিতীয় অর্ধে অলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় একাই ঝোড়ো তাণ্ডব চালান ওলিসে। শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত মাঠের ডান প্রান্ত শাসন করে একা দুই গোল করার পাশাপাশি হ্যারি কেইনকে দিয়ে একটি গোল করিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন তিনি।

বায়ার্নের ৪-২-৩-১ ফরমেশনে ডান উইঙ্গার হিসেবে মাঠে নেমে প্রথমার্ধ থেকেই বোডো গ্লিমটের কম্প্যাক্ট লো ব্লক ডিফেন্সের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন ওলিসে। তবে দ্বিতীয় অর্ধে তাঁর ট্যাকটিক্যাল পজিশনিং ও মুভমেন্ট প্রতিপক্ষের ডিফেন্সকে পুরোপুরি তছনছ করে দেয়।

ওলিসে কেবল ডানপ্রান্তের টাচলাইনে সীমাবদ্ধ ছিলেন না। বল পায়ে তিনি ঘনঘন ইনসাইড-কাট করে সেন্ট্রাল হাফ স্পেসে চলে আসেন, যা বোডোর ডিফেন্ডারদের তাকে মার্ক করতে বাধ্য করে। এর ফলে ফুলব্যাক কনরাড লাইমারের ওভারল্যাপ করার জন্য প্রচুর উন্মুক্ত জায়গা তৈরি হয়।

৬১তম মিনিটে ওলিসের দুর্দান্ত ভিশন ও পাসিংয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিপক্ষের ডি বক্সের বাইরে থেকে তার নিখুঁত ইন সুইঙ্গিং ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি করেন হ্যারি কেইন। ওলিসের এই ড্রিবলিং ও পাসের মিশ্রণ বোডোর রক্ষণের জন্য পুরো ম্যাচজুড়ে চরম অস্বস্তির কারণ ছিল।

সফরকারীদের শারীরিক ক্লান্তি বাড়ার সুযোগ নিয়ে শেষ দশ মিনিটে নিজেই গোলদাতায় রূপ নেন ওলিসে। ৮৩তম মিনিটে ডি বক্সের ভেতর দারুণ পজিশনিংয়ে প্রথম গোল করার পর অতিরিক্ত মিনিটে চমৎকার একক প্রচেষ্টায় ঠান্ডা মাথার প্লেসমেন্ট শটে দলের পঞ্চম ও নিজের দ্বিতীয় গোলটি সম্পন্ন করেন।

​৮৭তম মিনিটে ওলিসেকে আটকানোর পথ না পেয়ে তাকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন বোডোর ডিফেন্ডার ওদিন লুরাস বিজোরটাফট। বল রিকভারিতে প্রেসিং সহায়তার পাশাপাশি দুটি গোল ও একটি অ্যাসিস্টের মাধ্যমে ওলিসে প্রমাণ করেছেন এবারের মৌসুমেও অলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় আলো ছড়াতে প্রস্তুত তিনি।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link