আরও একবার ব্যাটিং ব্যর্থতার খেসারত দিতে হলো বাংলাদেশকে। ৪০ রানের পরাজয় নিয়ে যাত্রা থামল সেমিফাইনালে। আর বাংলাদেশকে যিনি থামালেন তিনি দিপ্তি শর্মা। একাই তিন উইকেট বাগিয়ে নিয়েছেন, আর তিনজনই বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার। তাদের হারিয়ে আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার।
প্রথম শিকার দিলারা আক্তার। ২১ রানে থাকা দিলারাকে স্লগ সুইপে আউট করেন দিপ্তি। বল ব্যাটের কানায় লেগে উঠে যায় আকাশে, মিড-উইকেটে দৌড়ে গিয়ে ডাইভ দিয়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন ক্রান্তি গৌড়। ২৬ বলে চারটি চারে ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন দিলারা।
এরপর সোবহানা মোস্তারিকে বোল্ড করেন দিপ্তি। বলের লাইন বুঝতে ভুল করেন সোবহানা, ব্যাক ফুটে গিয়ে অন সাইডে খেলতে যান, কিন্তু বল তার ব্যাটের নিচ দিয়ে গিয়ে স্টাম্প উপড়ে দেয়। ২৪ বলে ১৮ রান করেছিলেন সোবহানা।

তৃতীয় উইকেটটিও বোল্ড। শারমিন আক্তারকে অফ স্টাম্পে টানা বল করছিলেন দিপ্তি, একটি বল একটু চাপা লাইনে ভেতরে ঢোকে। শারমিন ব্যাক ফুটে গিয়ে সুইপ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বল ব্যাটের নিচ দিয়ে গিয়ে অফ স্টাম্পে লাগে। মাত্র ২ বলে ১ রান করে ফিরতে হয় তাকে।
তিনটি উইকেটের দুইটিই বোল্ড , ব্যাটারদের ভুল শট নির্বাচনের সুযোগ নিয়েছেন দিপ্তি। বাংলাদেশ যখন ইনিংস গোছানোর চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই একের পর এক আঘাতে সেই চেষ্টা ভেস্তে দেন তিনি। চার ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে তার শিকার তিন উইকেট।
এই তিন উইকেটে চলতি আসরে দিপ্তির মোট উইকেট সংখ্যা দাঁড়াল ১১। গ্রুপ পর্ব শেষে ৮ উইকেট নিয়ে তালিকায় দুইয়ে ছিলেন তিনি, শীর্ষে ছিলেন শ্রীলঙ্কার চামারি আতাপাতু, ৯ উইকেট নিয়ে। আজকের স্পেলে আতাপাতুকে টপকে এখন তিনিই এশিয়া কাপের এই আসরের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।












