নারী এশিয়া কাপ মানেই যেন ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার জন্য বাকি দলগুলোর মধ্যে টিকে থাকার লড়াই। এখন পর্যন্ত দশ বার অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে দশম বারের মতো ফাইনেলের টিকিট কেটেছে ভারতীয় নারী দল। দুবাইয়ের মেগা ফাইনালের আগে দেখে নেওয়া যাক জয়ের এই চূড়ান্ত লড়াইয়ে কেমন হতে পারে শক্তিশালী ভারতের একাদশ।
ভারতের ব্যাটিং শক্তির মূল ভিত্তি তাদের বিধ্বংসী ওপেনিং জুটি। স্মৃতি মান্দানা ও শেফালি ভার্মার ব্যাট পাওয়ারপ্লেতেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ফাইনালের আগে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় সবচেয়ে শীর্ষ দুইটি নাম তাদেরই।
তিন নম্বরে ইনিংস সামলানোর দায়িত্বে থাকবেন প্রতিকা রাওয়াল। আর মিডল অর্ডারে অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরের অভিজ্ঞতা এবং হার্ড হিটিং উইকেটরক্ষক রিচা ঘোষের ঝড়ো ব্যাটিং দলের বড় স্কোর নিশ্চিতে বড় ভূমিকা রাখবে। ইনিংসের শেষভাগে ঝড়ের বেগে রান তোলার গুরুদায়িত্ব থাকবে ফিনিশার ভারতী ফুলমালীর কাঁধে।

দুবাইয়ের ধীরগতির ও টার্নিং কন্ডিশনে ভারতের অলরাউন্ডারদের ভূমিকা হতে যাচ্ছে জয়ের প্রধান চাবিকাঠি। বিশ্বমানের অফস্পিন ও কার্যকর ব্যাটিং নিয়ে দলকে সবচেয়ে বেশি ভারসাম্য দিচ্ছেন দীপ্তি শর্মা। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেবেন আরেক অলরাউন্ডার প্রেমা রাওয়াত। দুজনেই স্পিনবান্ধব পিচে মাঝের ওভারগুলোতে রানের গতি আটকে দেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দিতে পারদর্শী।
দলটির বোলিং বিভাগেও অভিজ্ঞতার সাথে তারুণ্যের চমৎকার রসায়ন দেখা যাচ্ছে। মূল স্পিনার হিসেবে চতুর বোলিংয়ে ব্যাটারদের চাপে রাখার দায়িত্বে থাকবেন শ্রী চরাণী।
আর পেস বিভাগের ফ্রন্টলাইনে গতি ও নিখুঁত লাইন লেংথ নিয়ে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ জানাবেন তরুণ নন্দনী শর্মা ও ক্রান্তি গৌড়। অর্থাৎ, কোনো বড় পরিবর্তন ছাড়াই এই সেরা একাদশ নিয়ে ভারত আবারও এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় পরতে মাঠে নামবে বলে জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

সব মিলিয়ে সম্ভাব্য ভারতীয় একাদশ : স্মৃতি মান্দানা, শেফালি ভার্মা, প্রতিকা রাওয়াল, হারমানপ্রীত কৌর (অধিনায়ক), রিচা ঘোষ (উইকেটরক্ষক), ভারতী ফুলমালী, দীপ্তি শর্মা, প্রেমা রাওয়াত, নন্দনী শর্মা, ক্রান্তি গৌড় এবং শ্রী চারাণী।











