ভারত সিরিজ বদলে ত্রিদেশীয় সিরিজ হবে সেপ্টেম্বরে!

ভারত সফর বদলে যদি তা ত্রিদেশীয় সিরিজে রুপান্তরিত হয়- তাতে খুব একটা অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এখন দেখার বিষয়- শেষ অবধি বাংলাদেশের প্রস্তাবে ভারত রাজি হয় কি-না। 

লাহোরের ম্যারাথন বৈঠকে ত্রিদেশীয় একটি সিরিজের প্রস্তবনা দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আয়োজক হবে বাংলাদেশ, বাকি দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তান। সূত্রমতে এমন এক প্রস্তাবনাই ছুড়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। সেই সিরিজ হতে হবে চলতি বছরেই। কিন্তু এই বছরে এই তিন দলের সূচিতে ফাঁকা স্থান পাওয়া বেশ দুষ্কর।

যদিও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে সেপ্টেম্বর নাগাদ একটা উইন্ডোর ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফর করার কথা ভারতের। তাছাড়া সেপ্টেম্বর লাগোয়া সময়ে ভারত ও পাকিস্তানেরও ব্যস্ততা নেয়াহেত কম নয়। আগস্টের শেষ দুই সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার মাটিতে দু’টো টেস্ট ম্যাচ খেলার কথা ভারতের।

এরপর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ভারতের তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা রয়েছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। যার পরপরই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিজেদের ঘরের মাঠে আতিথিয়েতা দেবে ভারত, আট ম্যাচের সাদা বলের সিরিজের জন্য। অন্যদিকে পাকিস্তান সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত থাকবে ইংল্যান্ডে।

স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে দলটি। এরপর ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার কথা রয়েছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। সেটা অবশ্য অক্টোবরে। মাঝের ওই সময়টুকুতে হাইভোল্টেজ সিরিজ খেলার লোভ সংবরণ করা পাকিস্তানের জন্য কঠিন বটে।

তবে এক্ষেত্রে বাংলাদেশকেই হয়ত ভারতের বিপক্ষে সিরিজটিকে পরিমার্জিত করতে হবে। তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টির সিরিজটির পরিবর্তে ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে হবে। এছাড়া বিকল্প পথ প্রায় খোলা নেই বললেই চলে। বাকিদের ব্যস্ততার কথা চিন্তা করেই এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে।

বাংলাদেশের অবশ্য তাতে খুব বেশি সমস্যা হবে না। আগস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষে পুরো সেপ্টেম্বর মাসটাই অলস কাটার কথা টাইগার ক্রিকেটারদের। সেদিক থেকে ভারত সফর বদলে যদি তা ত্রিদেশীয় সিরিজে রুপান্তরিত হয়- তাতে খুব একটা অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এখন দেখার বিষয়- শেষ অবধি বাংলাদেশের প্রস্তাবে ভারত রাজি হয় কি-না।

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link