দলকে ডুবিয়েই যাচ্ছে শান্তর ব্যাট!

১২ ইনিংস, ৩৯৯ দিন, একটা ফিফটিও করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারের কাছ থেকে এমন পরিসংখ্যান দেখাটা এক কথায় দৃষ্টিকটু। আরও সুনির্দিষ্ট করে বলতে গেলে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ভঙ্গুর দশার চলমান নড়বড়ে ভিত, তা যেন এই শান্তর হাতেই গড়া।

১২ ইনিংস, ৩৯৯ দিন, একটা ফিফটিও করতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারের কাছ থেকে এমন পরিসংখ্যান দেখাটা এক কথায় দৃষ্টিকটু। আরও সুনির্দিষ্ট করে বলতে গেলে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ভঙ্গুর দশার চলমান নড়বড়ে ভিত, তা যেন এই শান্তর হাতেই গড়া।

তিন নম্বর ব্যাটিং পজিশন একটা দলের মেরুদণ্ড। এই রোলের কাজটায় বড় ইনিংস খেলা, একপ্রান্ত আগলে রাখা। দলের বড় স্কোর সংগ্রহের ভাগ্য নির্ধারণ এখান থেকেই হয়। এমনই গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যাট করেন শান্ত। আর এখানেই বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন তিনি।

সর্বশেষ ১২ ইনিংস ব্যাট করে তাঁর রানসংখ্যা ১৯৪। ওয়ানডেতে এই সংখ্যাটা দলের সেরা ব্যাটারের সঙ্গে সাংঘর্ষিকই বটে। ৩৯৯ দিন ধরে একটা ফিফটির দেখা তিনি পাননি, একবার চিন্তা করে দেখুন ফর্মহীনতার ভয়াবহতা আসলে কতটা প্রখর।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজে শান্তর রানসংখ্যা ৫৪। দুটো ইনিংস খেলেছেন ২৭ রানের। একটিতে ডাক। অবশ্য তাঁর অধিকাংশ ইনিংসই এই ২০–৩০ রানের মধ্যে। যেন নিজের সীমারেখা ঠিক করে ফেলেছেন তিনি।

তিন নম্বর পজিশনে যেখানে ব্যাটাররা বড় রান করেন, সেখানে শান্ত ডাহা ফেল করছেন প্রতিনিয়ত। ভালো শুরু করে ইনিংস বড় করতে না পারা এক অপরাধ। শান্ত এটাকেই নিত্যদিনের সঙ্গী বানিয়ে ফেলছেন।

তিন নম্বরে তাঁর ব্যর্থতা মিডল অর্ডার এবং সর্বোপরি দলকেও ভুগিয়ে যাচ্ছে। এমনিতেই মিডল অর্ডার নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। এরপর কোনোদিন ওপেনাররা ব্যর্থ হলে পুরো চাপটাই মাঝের সারির ব্যাটারদের উপর পড়ছে হুট করেই। ফলে দলকে বিপাকে পড়তে হচ্ছে।

এই যে বাংলাদেশ র‍্যাঙ্কিংয়ের দশ নম্বর পজিশনে, বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এর দায় শান্ত কোনোভাবেই এড়াতে পারবেন কি? দলের বিপদে হাল ধরার বদলে যে দলকেই ধারাবাহিকভাবে বিপদে ফেলছেন। এরকমভাবে আর কতদিন চলবে সবকিছু? উত্তরটা অজানার হাতেই তোলা থাক।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link