ক্রোয়েশিয়ার কপাল পুড়ল যে অফসাইডে!

অফসাইড নাকি গোল, মেটানোভিকের মাথায় বল লেগেছিল কি? নাকি আধুনিক প্রযুক্তির ফাঁক গোলে কপাল পুড়ল ক্রোয়েশিয়ার? এর উত্তরটা খুঁজে দেখা যাক।

অফসাইড নাকি গোল, মেটানোভিকের মাথায় বল লেগেছিল কি? নাকি আধুনিক প্রযুক্তির ফাঁক গোলে কপাল পুড়ল ক্রোয়েশিয়ার? এর উত্তরটা খুঁজে দেখা যাক।

নাটকের ক্লাইম্যাক্স যেন পরতে পরতে সাজানো ছিল। একের পর এক ঘটনা, একের পর এক রোমাঞ্চ মাতিয়ে রেখেছিল টরন্টোকে। যার সবচেয়ে নির্মম, নির্দয় কিংবা কারও জন্য উৎসবের মুহূর্ত বোধহয়, ইনজুরি টাইম।

দশ মিনিট পার হয়ে গিয়েছে আগেই। সাড়ে ১২ মিনিট তখন চলছে। ২-১ এ পর্তুগালের জয় কেবল সময়ের ব্যাপার। তখনই ফিরে আসল ক্রোয়েশিয়া। যোশকো ভার্দিওলে আনন্দে ভাসালেন ক্রোয়েশিয়ানদের। তবে বিপত্তি সেখানেই।

যখন ক্রসটা ভেসে এলো তখনও অনসাইড ছিলেন ভার্দিওলে। তবে মাঝে ছোট্ট একটা খুঁত হয়ে থাকল মেটানোভিকের হেড টাচ। ওই সময়ে আবার অফসাইডেই ছিলেন তিনি। তবে বড় প্রশ্ন, মেটানোভিকের মাথায় বল লেগেছিল তো?

ক্যামেরার লেন্সেও দেখা যায়, রেফারিকে তিনি বোঝাচ্ছেন, তার মাথায় বলের ছোঁয়া লাগেনি। যেহেতু ছোঁয়া লাগার পরীক্ষা করার কোনো যন্ত্র নেই ফুটবলে, সেক্ষেত্রে বিতর্কটা এখানেই। এটা পরখ করার তো উপায় নেই।

তবে উপায়টা স্বয়ং ট্রিয়নডা বলটাই। তার ভেতরে লাগানো চিপ পলক ফেলার আগেই সব তথ্য পাঠিয়ে দেয় ভিএআরের কাছে, রেফারিও জানতে পারে আসলে কী হয়েছে। অর্থাৎ অফসাইডের সিদ্ধান্তটা শতভাগ সঠিক। ক্রোয়েশিয়া হেরেছে তাদের ভাগ্যের কাছেই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link