ফ্লিকের আস্থার প্রতিদান ষোল আনাই দিচ্ছেন লোপেস

বিশ্বকাপের শুরুর দিকে স্পেন দল যখন বল পজেশন ধরে রেখেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না, তখন লুইস দে লা ফ্লুয়েন্তে অনুভব করেছিলেন ফারমিন লোপেসের অনুপস্থিতি।

বিশ্বকাপের শুরুর দিকে স্পেন দল যখন বল পজেশন ধরে রেখেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না, তখন লুইস দে লা ফ্লুয়েন্তে অনুভব করেছিলেন ফারমিন লোপেসের অনুপস্থিতি। গত মৌসুমে বার্সেলোনার অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে ফ্লিকের মূল পছন্দ ছিলেন এই তরুণ স্প্যানিশ তারকা। এমনকি দানি ওলমোর মতো বিশ্বমানের ফুটবলারকেও শুরুর একাদশে সুযোগ পেতে লড়াই করতে হতো লোপেসের সাথে।

তবে বিশ্বকাপের ঠিক পূর্বমুহূর্তে ভাগ্যদেবী মুখ ফিরিয়ে নেয়। গুরুতর ইনজুরির কারণে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে যান তিনি। ফলে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ী দলের স্মরণীয় যাত্রার সাক্ষী হতে পারেননি লোপেস।

​নতুন মৌসুম শুরুর আগে ভক্ত ও বিশ্লেষকদের মনে বড় প্রশ্ন ছিল – বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করা দানি ওলমোই কি তবে হান্সি ফ্লিকের প্রথম একাদশে জায়গা পাকাপোক্ত করে নিলেন? তবে সব সংশয় উড়িয়ে দিয়ে হ্যান্সি ফ্লিক লোপেসের ওপরই তাঁর আস্থা বজায় রাখেন। আর কোচের এই অন্ধ বিশ্বাসের প্রতিদান লোপেস দিচ্ছেন মাঠের একের পর এক দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে।

চলতি লা লিগায় মাত্র চার ম্যাচে মাঠে নেমেই ইতোমধ্যে চারটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট পূর্ণ করেছেন তিনি। বার্সেলোনা দলে নির্দিষ্ট কোনো সহজাত স্ট্রাইকার না থাকায় রাফিনহার পাশাপাশি সেকেন্ড স্ট্রাইকারের ভূমিকা চমৎকারভাবে সামলাচ্ছেন লোপেস, এমনকি প্রয়োজন অনুযায়ী ওপরে উঠে এসে মূল আক্রমণভাগের দায়িত্বও পালন করছেন।

ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেও তিনি ছিলেন এককথায় অনবদ্য। এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টে দলের জয়ে মূল ভূমিকা পালন করেন তিনি। ম্যাচের মাত্র ছয় মিনিটের মাথায় তাঁর বাড়ানো পাস থেকেই গোলের খাতা খোলেন লামিন ইয়ামাল।

এরপর ২২ মিনিটে সেন্টার অব দ্য বক্স থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে নিজের গোলটি তুলে নেন তিনি। বিরতির পর ৫০ মিনিটে আবারও রাফিনহাকে দিয়ে গোল করিয়ে নিজের দ্বিতীয় অ্যাসিস্টটি সম্পন্ন করেন। বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতা হাতছাড়া হওয়ার হতাশা পেছনে ফেলে লোপেসের এই প্রত্যাবর্তন প্রমাণ করে, বার্সেলোনা আক্রমণভাগে তিনি এখন কতটা অপরিহার্য।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link