গায়ের জোরে ব্যাটিং করে আর যাই হোক, স্ট্রাইক রোটেট করা সম্ভব না। সোবহানা মোস্তারির ৪১ বলে ৩৪ রানের ইনিংস তারই জ্বলন্ত উদাহরণ। ধীরগতির ব্যাটিংয়ে দলের রানকে সংকীর্ণ করে রেখেছেন ইনিংস শেষে। যার খেসারত দিতে হয়েছে মাত্র ১১৪ তুলে।
সোবহানা মোস্তারি ব্যাট হাতে যখন নামলেন, তখনও স্বস্তি ছিল বাংলাদেশের শিবিরে। ৩১ রান এসেছে ওপেনিং জুটি থেকে। তবে পর পর উইকেট হারিয়ে দল হঠাৎ করেই বিপাকে পড়ে যায়। হাল ধরেন সোবহানা। বেছে নেন এক প্রান্ত আগলে রাখার কাজটা। তবে সময়ের সাথে সাথে তা দৃষ্টিকটু হয়ে ওঠে।
তিন নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে ব্যাট করতে আসা। ইনিংসটাকে লড়াকু একটা জায়গায় নিয়ে যাওয়ার গুরুদায়িত্ব কাঁধে। একে একে দিলারা আক্তার, নিগার সুলতানা জ্যোতি আত্মাহুতি দিয়ে ফিরে গেছে। সে সময় সোবহানার কাজটা পানির মতো পরিষ্কার, স্ট্রাইক রোটেট করে খেলা, আর সুযোগ বুঝে বাউন্ডারি হাঁকানো।

তবে সোবহানা একেবারে শান্ত নদীর মতো ইনিংসটাকে টেনেছেন। প্রতিটা বলের বিপরীতে গায়ের জোর খাটানোর তীব্র চেষ্টা। যেন সব বলেই বাউন্ডারি মারা দরকার। তবে সেটা যেমন আসেনি, তেমনই পসার বেড়েছে ডট বলেরও। একপর্যায়ে তা সীমা ছাড়িয়েই যায়।
দলের রান যখন ৯৩, স্পিনের বিপক্ষে মারমুখী হতে গিয়ে নিজের উইকেট দিয়ে আসেন সোবহানা। ততক্ষণে খেলেছেন ৪১ বল খেলে করেছেন ৩৪ রান। হ্যাঁ, টি-টোয়েন্টির বিচারে এমন ইনিংস অপরাধের সামিল।
শেষমেশ বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে জমা করে আট উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান। দলের সর্বোচ্চ স্কোর অবশ্য ওই সোবহানারই। তবে পুরো ইনিংসেই ব্যর্থতার ছাপ লেগে আছে। আরেকটু সচেতন হলে, বুদ্ধি খাটালে অন্তত স্কোরবোর্ডে ২০টা রান বেশি হলেও হতে পারত।











