সুযোগ ছিল, সম্ভাবনা ছিল, তবে বাংলাদেশের মেয়েরা জিততে পারল না। ১১৪ রানের পুঁজি নিয়ে আপ্রাণ চেষ্টা করে গেলেন বোলাররা। তবে শেষ রক্ষা হলো না। চার উইকেটের পরাজয় বরণ করে নিতে হলো শ্রীলঙ্কার কাছে।
ব্যাট হাতে শুরুটা মন্দ হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম ওভারে রান না এলেও সময়ের সাথে সাথে সেই ক্ষতি পূরণ হয়ে যায়। ৩১ রান পর্যন্ত চলে ওপেনিং জুটির দাপট। তবে জুয়াইরিয়া ফেরদৌসের ফেরা সুর কেটে দেয়। সেট ব্যাটার দিলারা আক্তার ২৬ রানে যবনিকা পতন ঘটান নিজের উইকেটের। প্রত্যাশার দাবি মেটাতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়কও।
সেখান থেকে ইনিংস গড়ার দায়িত্ব নেন সোবহানা। তবে অতিরিক্ত ধীরগতির ব্যাটিং বাংলাদেশকে রানকে বেশিদূর এগিয়ে নিতে দেয়নি। ৪১ বল খেলে করেন মাত্র ৩৪ রান। বাকিদের কেউই অবশ্য ঝড়ের গতিতে ব্যাট চালাতে পারেননি।

ফলে দল ১১৪ রানেই থামে বাংলাদেশের রানের চাকা।
এই অল্প পুঁজি নিয়ে শক্তিশালী শ্রীলঙ্কাকে রুখে দেওয়া কষ্টসাধ্য ব্যাপারই। তবে চেষ্টা করতে ক্ষতি কি। সেই চেষ্টা শুরু করলেন মারুফা আক্তার। প্রথম ওভারেই তুলে নিলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুকে।
দ্বিতীয় ওভারে ফিরেই আরও একবার উইকেট ঝুলিতে পুরে নেন। এবার শিকার বানান ইমিশা দুলানিকে। ৪৪ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে তখন কোণঠাসা শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের সামনে চিকচিক করছে জয়ের সম্ভাবনা।
বাধা হয়ে দাঁড়ান হার্ষিতা সামারাভিক্রমা। ৩৭ বলে ৪৮ রানের অনবদ্য ইনিংস আসে তার ব্যাট থেকে। শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। বাংলাদেশের সব সম্ভাবনার প্রদীপ নিভিয়ে দেন। তাতেই চার উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শ্রীলঙ্কা। নিশ্চিত করে সেমিফাইনালও।












