কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এক ঐতিহাসিক রাতের সাক্ষী হল ভারত। গ্যালারিভরা লাখো দর্শকের উন্মাদনা ও তীব্র উদ্দীপনার মধ্যে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচটিতে ব্রাজিল তাদের স্বাভাবিক শক্তির রূপ দেখিয়ে পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের দুর্দান্ত জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে লাতিন আমেরিকার ফুটবল পরাশক্তিরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই ব্রাজিল আক্রমণের পসরা সাজিয়ে ভারতীয় রক্ষণভাগের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। প্রায় আধঘণ্টা ভারতীয় ডিফেন্স বীরত্বের সঙ্গে সামলে উঠলেও ম্যাচের ২৮তম মিনিটে প্রথম ভাঙন ধরে।
মাতেওজিনহোর চমৎকার পাস থেকে বল পেয়ে বক্সের ডান দিক থেকে দুর্দান্ত শটে পোস্টের ওপরের ডান কোণ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন ব্রাজিলের তরুণ তারকা এস্তেভাও। পিছিয়ে পড়ে ভারত খানিকটা গুছিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেও অভিজ্ঞ ব্রাজিলের পাসিং ফুটবলের সামনে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি।

ম্যাচের ৪২তম মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় আনচেলত্তির দল। এস্তেভাওয়ের নিখুঁত থ্রু পাস ধরে বক্সের ডান দিক থেকে ডান পায়ের শটে বল গোলপোস্টের মাঝখান দিয়ে জালে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন স্ট্রাইকার পেদ্রো।
দুই গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া ব্রাজিল দ্বিতীয়ার্ধেও তাদের আক্রমণাত্মক ধারা বজায় রাখে। ৫৮তম মিনিটে পেদ্রোর অ্যাসিস্ট থেকে বক্সের বাঁ দিক থেকে ডান পায়ের গড়ানো শটে গোলপোস্টের নিচের ডান কোণ দিয়ে দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন সামুয়েল লিনো।
মাঝেমধ্যে ভারত কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে ব্রাজিলীয় রক্ষণে খানিকটা ভয় ধরানোর চেষ্টা করলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি। শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল, আর ঘরের মাঠে হারের পরও বিশ্বসেরা দলের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা সঙ্গী হয় ভারতীয় শিবিরের।












