অসাধ্য সাধন করল ভারত!

আর কি করলে ভারতকে হারানো সম্ভব? নিউজিল্যান্ড এই একটা প্রশ্নের উত্তর বোধহয় সারারাত ধরে খুঁজবে। জেতা ম্যাচ হাত ফসকে বেরিয়ে গেল, চালকের আসন থেকে কিউইদের টেনে নামিয়ে সেখানে বসল ভারত, হারতে বসা ম্যাচ জিতে নিল চার উইকেট হাতে রেখেই।

আর কি করলে ভারতকে হারানো সম্ভব? নিউজিল্যান্ড এই একটা প্রশ্নের উত্তর বোধহয় সারারাত ধরে খুঁজবে। জেতা ম্যাচ হাত ফসকে বেরিয়ে গেল, চালকের আসন থেকে কিউইদের টেনে নামিয়ে সেখানে বসল ভারত, হারতে বসা ম্যাচ জিতে নিল চার উইকেট হাতে রেখেই।

প্রথম ম্যাচে রানের পাহাড় গড়েও জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড। সেই আক্ষেপ সূচের মতো বিধছিল। দ্বিতীয় ম্যাচেও টার্গেট সেট করার কাজটা করতে হবে। তবে শুরুতেই হোঁচট খেতে হলো কিউইদের। ১৮ রানেই দুই উইকেটের পতন। ৪১ রানে সংখ্যাটা তিন।

এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখান গ্লেন ফিলিপস। সঙ্গী হিসেবে পান বেভন জ্যাকবকে। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠা ১১৬ রানের জুটিতে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে কিউইরা। আগের ম্যাচে ৮২ রান করা ফিলিপস এই ম্যাচেও করেন ৭০ রান। আর জ্যাকবের নামের পাশে ৫৮। শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৮০ রান।

আত্মবিশ্বাসী ভারত। এই রান তাড়া করা কোনো ব্যাপারই হওয়ার কথা না তাদের সামনে। তবে প্রথম ওভারেই ম্যাট হেনরির মেডেন ওভার হিসাবে গোলমাল পাকিয়ে দেয়। হাত খুলে মারার চেষ্টা করে ব্যর্থ সঞ্জু স্যামসন ১৪-তেই সাজঘরে ফেরেন।

নজর ছিল বৈভব সুরিয়াভানশির উপর। তিন নম্বরে ঠাঁই হলো তাঁর। তবে চার রানেই থামল যাত্রাটা। ৪৪ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ভারত তখন অনেকটা ব্যাকফুটে।

সেখান থেকে মিচেল স্যান্টনারের বোলিং তোপে আরও বেশি মুষড়ে পড়ে সফরকারীরা। মাত্র ২১ রান খরচায় চার উইকেট নিয়ে ভারতের আশার আলো প্রায় নিভিয়ে দেন। তবে অন্ধকার টানেলের ফাঁক দিয়ে আলোর বিন্দু হয়ে সামনে এলো মিডল অর্ডার। তিলক ভার্মার মাস্টারক্লাসে ভর দিয়ে চার উইকেট হাতে রেখেই পৌঁছে গেল জয়ের বন্দরে। নমন ধীর আর নীতীশ কুমার রেড্ডির অবদানও কম নয়। মিডল অর্ডারে এই তিনজন মিলেই যে অসাধ্য সাধন করল।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link