সবাই যখন ফিরে যাচ্ছে একে একে, তখনও রাজত্ব আঁকড়ে ধরার নেশায় মত্ত সিকান্দার রাজা। লড়াই করেই বাঁচতে হবে তাঁকে, বাঁচাতে হবে জিম্বাবুয়েকে। শেষপর্যন্ত দাঁতে দাঁত চেপে একাই লড়ে গেলেন। ৬৮ রানের ইনিংস দিয়ে চেষ্টা করলেন সমুদ্রে ডুবতে থাকা জাহাজকে টেনে তীরে নেওয়ার।
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল ম্যাচ। আফগানিস্তানের বোলাররা শুরুতেই চেপে ধরল জিম্বাবুয়েকে। দুই দিকের এই চাপটা সামলাতে পারছিলেন কেউ। ৫৫ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বসা জিম্বাবুয়ে দিশেহারা তখন।

কে ধরিবে হাল? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে মাঠে নামলেন রাজা। বন্ধুর এক পথ পাড়ি দিতে হবে তাঁকে। অনিশ্চয়তার গোলকধাঁধার সেই পথে সঙ্গী পেলেন রায়ান বার্লকে। ৬০ রানেই সেই জুটি শেষ হলো বার্লের বিদায়ে। এরপর আর কেউ সঙ্গ দিতে পারেনি রাজাকে।
তবুও পথ তো চলতে হবে। আফগানিস্তানের স্পিনের ভয়াল থাবা থেকে নিজের উইকেট বাঁচিয়ে রাখলেন। ঘামে ভেজা জার্সি, ক্লান্ত শরীর নিয়ে উইকেটে পড়ে থেকে খেললেন ৮৩ বল। ফিফটি এলো, অন্য পাশে উইকেট হারানোর বৃষ্টি পড়ছে। রাজা তবুও অবিচল। তবে সঙ্গীহীন লড়াই করে টিকে থাকা ভীষণ দায়।

রশিদ খানের ওপর চড়াও হতে গিয়ে শেষবেলায় উইকেট বিলিয়ে দিলেন। যাওয়ার আগে খেললেন ৬৮ রানের ইনিংস। সংখ্যাটা আহামরি কিছু না। তবে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং অর্ডারের করুণ পরিণতির চিত্র সামলে এনে এই ইনিংসটাকেই সোনায় বাঁধিয়ে রাখা যায়। অন্তত রাজার কল্যাণে ১৬৯ রানের পুঁজি পেয়েছে জিম্বাবুয়ে।










