বৃষ্টি এসে বাঁচিয়ে দিল ভারতকে। ১৩৪ রান স্কোরবোর্ডে তুলেও যে লড়াই করল নিউজিল্যান্ড, সেটা এক কথায় অনবদ্য। তবে ভাগ্য যখন বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তার সাথে কি আর লড়াই করা যায়! বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে মাত্র চার রানে হারতে হলো কিউই শিবিরকে।
এদিন আগে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ড প্রথম ওয়ানডের পুনরাবৃত্তি ঘটাল যেন। শূন্যতেই ফিরে যান টিম সেইফার্ট। ২৩ রান যেতে না যেতেই সেই উইকেট হারানোর সংখ্যা দাঁড়াল তিন। আকিব নবীর সামনে রীতিমতো অসহায় ধসে পড়ল নিউজিল্যান্ডের টপ অর্ডার।
তবুও সেই ধস সহজে থামল না। ৫৩ রান করতেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে নিউজিল্যান্ড। এরপর বড় রানের স্বপ্ন দেখা তখন বিলাসিতা। ড্যারিল মিশেল সেখান থেকে কিছুটা হাল ধরলেন। ফিফটির ইনিংস খেলে দলকে কোনোমতে ১০০ পার করালেন। তবে বল হাতে গুরনুর ব্রারের তাণ্ডবের সামনে অসহায় কিউইদের সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩৪ রানে।

জবাব দিতে নেমে ভারতও ব্যর্থতার পথের পথিক হয়। অধিনায়ক শুভমান গিল ফিরে যান রানের খাতা খোলার আগেই। আগের ম্যাচে ফিফটি হাঁকানো বিরাট কোহলি খেলতে পারলেন মাত্র সাত বল। ১৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকেই পড়ে ভারত।
তাকিয়ে ছিল সবাই রোহিত শর্মার দিকে। প্রথম ওয়ানডেতে ব্যর্থ হয়ে ফিরেছেন। এই ম্যাচে কিছু একটা হবে, কিছু একটা অন্তত করবেন, এমন আশায় যারা ছিলেন, তাদের সঙ্গী হয়েছে হতাশা। ২৩ রান করেই ফিরতে হয়েছে তাঁকে। ভালো শুরু করেও ইনিংস বড় করতে পারলেন না।
৪৭ রানে চার উইকেট হারালে নিউজিল্যান্ডের জয়ের সম্ভাবনা জেগে ওঠে। তবে শ্রেয়াস আইয়ার সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়ান। ৩০ আসে তাঁর ব্যাট থেকে। তবে ১১১ রানে সাত উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত, জিততে তখনও দরকার ২৪ রান। ম্যাচ তখন পেন্ডুলামের মতো দুলছে।

শেষমেশ বৃষ্টি আশীর্বাদ হয়ে আসে ভারতের জন্য। মাঠে নামলে যেকোনো কিছুই হতে পারত। তবে বৃষ্টি বাঁচিয়ে দেয় ভারতকে। ডিএলএস মেথডে ভারত ম্যাচ জিতে নেয় চার রানের ব্যবধানে। টানা দুই জয়ে সিরিজ লুফে নেওয়ার হাতছানি এখন শুভমান গিলের দলের সামনে।










