ব্যাটিং অনুশীলনে খুশি বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মাঠে নামার আগে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিন রানের পাহাড় গড়েছে বাংলাদেশ। ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে ১০৮ বলে ৬৫ রান করে স্বেচ্ছায় বিশ্রামে যান সাইফ হাসান। দিন শেষে এই ওপেনার জানিয়েছেন এই প্রস্তুতি টেস্ট ম্যাচে কাজে দিবে তাদের।

প্রথম দিন শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ৩১৩ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। সাইফের সাথে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত এবং সাকিব আল হাসান। এছাড়া রান পেয়েছেন মুমিনুল হক, লিটন দাস ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাইফ মনে করেন তারা এই প্রসেসে থাকলে টেস্টের ফলাফলও তাদের পক্ষেই আসবে।

এই ব্যাটসম্যান বলেন, ‘প্রস্তুতি ম্যাচ তো আমরা আত্মবিশ্বাসের জন্য খেলা। আজ প্রথম আট দশ ওভারে পেস বোলারদের জন্য হেল্প ছিল। এরপর ফ্ল্যাট হয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে ভালো প্রস্তুতি হয়েছে আমাদের। টেস্টে এটা আমাদের কাজে আসবে।

তিনি আরো বলেন, ‘জিম্বাবুয়ে ওদের নিজেদের কন্ডিশনে সব সময় ভালো খেলে। আমরা যদি আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারি ফলাফল আমাদের পক্ষে আসবে। আমাদের টিমে ভালো কিছু প্লেয়ার আছে যারা জাতীয় দলে আছে। আমরা যদি আমাদের প্রসেসে থাকি, সেরাটা দেই, ফলাফল পক্ষে থাকবে।’

সাইফের অভিষেকের আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন সাকিব আল হাসান। এছাড়া আগের কয়েক সিরিজে টেস্ট দলে ছিলেন না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এই প্রথম জাতীয় দলে চার সিনিয়রকে এক সাথে পেয়েছেন সাইফ। তাই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এই ওপেনার।

তিনি মনে করেন চার জনের উপস্থিতি দলের তরুণ ক্রিকেটারদের উৎসাহিত করবে ও দলের অনেক সাহায্য করবে। এছাড়া এই ওপেনার মনে করের টেস্ট ক্রিকেট হলো স্কিল দেখানোর জায়গা। তাই তিনি চেষ্টা করবেন নিজের শতভাগ দেওয়ার ও নিজের স্কিলে উন্নতি করার।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলে আসার পর এখনো সিনিয়র সবাইকে আমি পাই নাই। এই প্রথম পাচ্ছি। এটা সাহায্য করবে আমাদের। তরুণ যারা আছি তারা উৎসাহ পাবে। টেস্ট ক্রিকেট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এটাই প্ল্যাটফর্ম আমাদের স্কিল দেখানোর। যেহেতু টেস্টে আছি নিজের শতভাগ দেওয়ার চেষ্টা করবো। স্কিলে উন্নতি করার অনেক জায়গা রয়েছে।’

গত মাসের শেষের দিকে জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাশওয়েল প্রিন্স। ইতোমধ্যে জিম্বাবুয়েতে দলের সাথে কাজও শুরু করে দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এই ক্রিকেটার। সাইফ জানিয়েছেন নতুন ব্যাটিং কোচের কাছে থেকে অনেক কিছু নেওয়ার রয়েছে।

সাইফ বলেন, ‘আমাদের ব্যাটিং কোচের থেকে অনেক কিছু নেওয়ার আছে। উনি যে দলে খেলেছে সেখানে অনেক লিজেন্ডস ক্রিকেটার ছিল। তো অনেক কিছু নেওয়ার আছে। মাত্র এক দিন কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। আশা করি অনেক কিছু নিতে পারবো।’

আগামী সাত জুলাই হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে শুরু হবে সিরিজের একমাত্র টেস্ট। একমাত্র টেস্ট শেষে একই মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link