বিপিএলের মাটি, পাক ব্যাটারদের ঘাঁটি

হায়দার আলি যেন জানিয়ে দিলেন হারিয়ে যাননি তিনি। ফর্মটা ধরে রাখতে পারলে পরছায়া না, নিজের নামেই সুপরিচিত হবার মত মত সক্ষমতা তার আছে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ(বিপিএল) সর্বদাই পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের জন্য বড্ড পয়া। উসমান খান, সায়েম আইয়ুবদের ভাগ্যর চাকা তো খুলেছে এই ফ্রাঞ্চাইজি লিগ থেকেই। পাকিস্তান জাতীয় দলের তালা খুলতে সবচেয়ে ভালো চাবি হচ্ছে বিপিএল।

তবে কি সেই ধারাবাহিকতায় হায়দার আলীও পারবেন নিজেকে আবারও শানিত করে রাইট ট্রাকে ফিরতে! হায়দার আলিকে বর্তমান পরিচয়টা হচ্ছে অফর্ফম আর নিয়তির মারপ্যাচ হতে না পারা ‘বাবর আজম’।

তবে নিজেদের দিনে হায়দার আলী এখনও যেন একাই একশো। ১৮ বলে চার বাউন্ডারি আর তিন ওভার বাউন্ডারির ৪২ রানের টর্নেডো ইনিংসটা অন্তত সেটির পক্ষেই সাক্ষ্য দেয়।

চলতি বিপিএলে ব্যাট হাতে বেশ কিছু ক্যামিও খেলেছেন তিনি। এদিনও সিলেট সিক্সার্সের বিরুদ্ধে ঝড় তুলেছেন তিনি। প্রপার ফিনিশিং টাচ দিয়ে দলের সংগ্রহ পার করে দিয়েছেন ২০০ এর গণ্ডি।

১৭ তম ওভারে তানজিম হাসান সাকিব কে ডিপ মিড উইকেট আর ব্যাকওর্য়াড অঞ্চল দিয়ে হাঁকান দুই চার। পরের ওভারে চড়াও হন রুয়েল মিয়ার উপরেও। দুই চার আর এক ছক্কায় সেই ওভারে নেন ১৯ রান। মাঝের ওভারে রান কমে গেলেও শেষ ওভারে পুষিয়ে দেন তিনি।

রুয়েল মিয়াকে দুই ছক্কা হাকিয়ে সিলেটের সংগ্রহ নিয়ে দাঁড় করান ২০৩ রানে। হায়দার আলী যেন জানিয়ে দিলেন হারিয়ে যাননি তিনি। ফর্মটা ধরে রাখতে পারলে পরছায়া না, নিজের নামেই সুপরিচিত হবার মত মত সক্ষমতা তার আছে।

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link