স্টাম্প লক্ষ্য করে বল ছুড়লেন হাসান মাহমুদ। তবে স্টাম্পে না লেগে সোজা গিয়ে লাগল হাসমতউল্লাহ শহিদীর পায়ে। ব্যস, তাতেই আফগানিস্তানের সর্বনাশ। ব্যথার তীব্রতা সইতে না পেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন শহিদী। এমনকি শেষমেশ অন্যের কাঁধে ভর দিয়েই ছাড়তে হলো মাঠ।
২৫ রানের জুটি গড়ে একটু একটু করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল আফগানিস্তান। বাংলাদেশের বোলারদের তোপ সামলে হাসমতউল্লাহ শহিদী আর সেদিকউল্লাহ অটল তখন প্রতিরোধের দেয়াল গড়ার চেষ্টা করছেন। তবে সেটা আর হতে দিলেন না হাসান মাহমুদ। বল হাতে আফগানদের একাই কোণঠাসা করেছেন তিনি। এবার ফিল্ডিং দিয়েই সেটা করলেন।

৫৩তম ওভার চলমান। চতুর্থ বল অটলকে উদ্দেশ্য করে ছোড়েন মেহেদি হাসান মিরাজ। ব্যাটের আলতো ছোঁয়ায় সেটাকে সিলি মিড অনে ঠেলে রান নিতে চাইলেন অটল। তড়িঘড়ি করে একটা রান নেওয়া যায়। তবে বিপদ তো আর বলে-কয়ে আসে না। একটা রানই কাল হয়ে দাঁড়াল আফগানিস্তানের জন্য।
হাসান মাহমুদ দৌড়ে এসে বল ছুড়লেন সরাসরি স্টাম্প লক্ষ্য করে। উদ্দেশ্য রানআউটের সুযোগ তৈরি করা। কিন্তু বল গিয়ে আঘাত হানল হাসমতউল্লাহ শহিদীর পায়ে। মুহূর্তেই যন্ত্রণায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন তিনি। থমকে গেল খেলা।

দৌড়ে এলেন ফিজিও। শুরু হলো শুশ্রূষা। মাঠের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে চলল পরিচর্যা। কিন্তু তাতেও মিলল না স্বস্তি। শহিদীর যন্ত্রণা যেন কিছুতেই কমছিল না। একসময় প্যাড খুলে ফেললেন তিনি। চেষ্টা করেও স্বাভাবিকভাবে উঠে দাঁড়াতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত নিজের পায়ে হেঁটে মাঠ ছাড়ার সামর্থ্যটুকুও হারিয়ে ফেললেন শহিদী। অন্যদের কাঁধে ভর দিয়ে, প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে তাঁকে ছাড়তে হলো মাঠ।










