‘হি ইজ দ্য ফ্লাইং ম্যান, দ্য সুপারম্যান।’ ধারাভাষ্যকক্ষ থেকে লিটন দাসের জন্য এমন প্রশংসা বাণী ভেসে এল। অবশ্য বাজপাখির মতো উড়ে গিয়ে অবিশ্বাস্য যে ক্যাচটা লুফে নিলেন লিটন, তাঁর সামনে যেকোনো প্রশংসাই ফিকে মনে হবে।
পুরো ম্যাচজুড়েই লিটন সবখানে আছেন। প্রথম ইনিংসে ফিফটি, দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি। ব্যাট হাতে এমন শাসন করার পর উইকেটের পেছনেও লিটন দাস অবিশ্বাস্য। আটখানা ডিসমিসাল করে ২২ বছরের রেকর্ড ভেঙেছিলেন। তবুও যেন আরও কিছু ম্যাজিক ঝুলিতেই পুরে রাখেন। দলের দরকারে বের করে আনেন যথাসময়ে।

ইনিংসের ৭৮তম ওভারের প্রথম বল। এবাদত একটু শর্ট লেন্থে সেটাকে ছুড়ে দেন। হিপ বরাবর আসা বলে পুল করতে চেয়েছিলেন আলিখিল। কিন্তু ব্যাটের বদলে বলের সংযোগ হলো গ্লাভসে, দিক বদলে ছুটে গেল লিটনের ডান দিকে। মুহূর্তের মধ্যে ডান দিকে শরীর ছুড়ে দিয়ে, প্রায় মাটির সমান্তরালে শূন্যে ভেসে অসামান্য দক্ষতায় ক্যাচ তালুবন্দী করলেন লিটন। চোখের পলকে ঘটে যাওয়া দৃশ্যটা যেন বিশ্বাস করাই কঠিন!
ইকরাম আলিখিলের ফেরার পর ভাঙে আফগানিস্তানের ৬৬ রানের প্রতিরোধ। এর আগে জুটি ভাঙার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেও সমাধান পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। দলের এই দুঃসময়ে আরও একবার লিটন এগিয়ে এলেন। ক্রাইসিস ম্যান হয়ে উদ্ধার করলেন বাংলাদেশকে।











