শ্রীলঙ্কার কাছে অভিজ্ঞতার অভাবে হারল হংকং!

অবশেষে হাফ ছেড়ে বাঁচল শ্রীলঙ্কা। লড়াই করেও পরাজিতদের তালিকায় নাম গেল হংকংয়ের। উত্তেজনাপূর্ণ এক লড়াই শেষে লঙ্কানদের জয় চার উইকেটের ব্যবধানে।

অবশেষে হাফ ছেড়ে বাঁচল শ্রীলঙ্কা। লড়াই করেও পরাজিতদের তালিকায় নাম গেল হংকংয়ের। উত্তেজনাপূর্ণ এক লড়াই শেষে লঙ্কানদের জয় চার উইকেটের ব্যবধানে।

এদিন টসে জিতে লঙ্কান কাপ্তান বেছে নেন ফিল্ডিংটা। আর তাতেই হংকংয়ের উড়ন্ত সূচনা। ওপেনার জিসান আলী এবং আনশুমান রাঠ মিলে গড়েন ৪১ রানের জুটি। পাওয়ার-প্লেতে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় এক উইকেট হারিয়ে ৪২ রান।

২৩ রানে জিসান ফিরে গেলে, বাবর হায়াতও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তবে বাকি সময়টাতে হাল ধরেন নিজাকাত এবং রাঠ। দুজনের ৬১ রানের জুটিতে দারুণ মোমেন্টাম পায় হংকং। ৪৮ রানে রাঠ ফিরে গেলেও নিজাকাত ফিফটি তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত করেন ৫২ রান।

এদিন শ্রীলঙ্কার বোলাররা অনেকটা ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে। বল হাতে সর্বাধিক দুই উইকেট শিকার করেন দুশমন্থ চামিরা। ব্যাটারদের দৃঢ়তায় হংকংয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৯ রান।

দুবাইয়ের উইকেটে এই রান চেজ করাটা খুব সহজ ব্যাপার এমনটা নয়। হংকং বোলাররা শুরুতেই চাপে ফেলার চেষ্টা করে লঙ্কান ওপেনারদের। সফলতা পায় ২৬ রানের মাথায়, ফিরে যান কুশাল মেন্ডিস। তবে একপ্রান্তে ঠিকই অবিচল থাকেন পাথুম নিশাঙ্কা।

অনেকটা একা হাতেই ম্যাচকে সহজ করে দেন। শেষ পর্যন্ত খেলেন ৪৪ বলে ৬৮ রানের দূর্দান্ত এক নক। ১১৯ রানের মাথায় তিনি ফিরে গেলে, যদিও কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে হংকং। তিন ওভারের ব্যবধানে   চার উইকেট তুলে ম্যাচ জমিয়ে ফেলে।

তবে শেষ পর্যন্ত কোন অঘটন না ঘটিয়ে জয়ের বন্দরে তরি ভেড়ায় শ্রীলঙ্কা। চার উইকেটে স্বস্তির জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তাঁরা। হংকং পুরোটা সময় দারুণ লড়াই করেছে ঠিকই। তবে অভিজ্ঞতার অভাব আর বাজে ফিল্ডিং মিলিয়ে ফলাফল নিজেদের দিকে আনতে ব্যর্থ হয়েছে।

 

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link