ওয়ানডেতে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসির নতুন নিয়ম বাংলাদেশের জন্য যেন নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৩৪ ওভারের পর পছন্দের একটি পুরোনো বল দিয়ে বাকি ১৬ ওভার খেলার নিয়মে রিভার্স সুইংয়ের সুযোগ বেড়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে অন্যান্য দল এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিলেও, ব্যাটিং ও বোলিং – দুই বিভাগেই বেশ চাপে পড়েছে বাংলাদেশ।
আবুধাবিতে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানের পরাজয় টাইগারদের এই দুর্বলতাকে আবারও প্রকাশ্যে এনেছে। ২৭২ রানের তাড়ায় ইনিংসের ৩৪ ওভারের মধ্যেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লে ও শুরুর দিকে বল সুইং করলেও ডেথ ওভারে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের মতো অভিজ্ঞ পেসাররা রান আটকে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

ক্রিকভিজের তথ্যমতে, নতুন নিয়মের পর ডেথ ওভারে মোস্তাফিজ ও তাসকিনের বল সুইং করার প্রবণতা যথাক্রমে ৪৯.৫ শতাংশ এবং ৪০.৮ শতাংশ বাড়লেও, শেষ ওভারগুলোতে দুজনেরই ইকোনমি ও বোলিং গড় আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
বোলিংয়ের চেয়েও বড় দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে ব্যাটিং লাইনে। রিভার্স সুইং ও বলের লেট মুভমেন্ট সামলাতে না পেরে শেষ দশ ওভারে দ্রুত রান তোলার গতি হারিয়েছে বাংলাদেশ। আগে যেখানে শেষ দশ ওভারে ওভারপ্রতি ৭.৮৪ রান আসত, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৫৬ এ। বিপরীতে ভারত ও ইংল্যান্ডের মতো দলগুলো শেষ ওভারে রানের গতি আরও বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।

২০২৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এই সমস্যাটি বাংলাদেশের জন্য বড় বার্তা। পেসারদের সুইং কার্যকর করার পাশাপাশি ব্যাটসম্যানদেরও মাঝের ওভারগুলোতে রান তোলার গতি বাড়ানোর নতুন কৌশল আঁটতে হবে।











