একদিকে পছন্দের ক্রিকেটারকে দলে নেওয়ার তাগিদ, অন্যদিকে বাজেটের হিসাব। ডি থ্রি ট্রফি ২০২৬-এর নিলামে দলগুলোর সামনে অপেক্ষা করছে বেশ ভালো চ্যালেঞ্জই। ১০ কোটি পয়েন্ট খরচ করে শুধু ২৩ জন ক্রিকেটার সংগ্রহ করলেই হবে না, গড়তে হবে ভারসাম্যপূর্ণ একটি দলও। কেননা একই স্কোয়াড নিয়ে খেলতে হবে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই। আর সেই লক্ষ্য পূরণে প্রতিটি বিডের আগে ভাবতে হবে বিচক্ষণতার সঙ্গেই।
নিলামে প্রতিটি দলের জন্য বরাদ্দ ১০ কোটি পয়েন্ট। খেলোয়াড়দের ছয়টি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ বিভাগের প্রাথমিক মূল্য ৪০ লাখ, বি বিভাগের ৩০ লাখ, সি বিভাগের ২০ লাখ, ডি বিভাগের ১০ লাখ, ই বিভাগের ৫ লাখ এবং এফ বিভাগের ৩ লাখ পয়েন্ট। প্রতিটি খেলোয়াড়ের নিলাম শুরু হবে তার নির্ধারিত প্রাথমিক মূল্য থেকে।
বিভাগভেদে বিড বাড়ানোর নিয়মও আলাদা। এ বিভাগে ৪০ লাখ থেকে ৯০ লাখ পর্যন্ত প্রতি ধাপে ৫ লাখ পয়েন্ট বাড়বে, এরপর ১ লাখ করে। বি বিভাগে ৩০ লাখ থেকে ৬০ লাখ পর্যন্ত বাড়বে ৩ লাখ করে, এরপর ১ লাখ।

সি বিভাগে ২০ লাখ থেকে ৩০ লাখ পর্যন্ত বাড়বে ২ লাখ করে, এরপর ১ লাখ। ডি বিভাগে ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ পর্যন্ত বাড়বে ১ লাখ করে, এরপর ৫০ হাজার। ই ও এফ বিভাগে ৫০ হাজার পয়েন্ট করে বিড বাড়বে ১০ লাখ পর্যন্ত, এরপর প্রতিটি ধাপে বাড়বে ২৫ হাজার পয়েন্ট।
একই ক্রিকেটারকে একাধিক দল পেতে চাইলে বিডের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা হবে। প্রতিটি প্রস্তাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগের নির্ধারিত ধাপ অনুসরণ করতে হবে। কোনো দল আর বিড না করলে এবং নতুন কোনো উচ্চতর বিড না এলে নিলাম পরিচালকের ঘোষণায় সর্বোচ্চ বিডদাতা দল খেলোয়াড়কে পাবে। তার চূড়ান্ত মূল্য দলের অবশিষ্ট বাজেট থেকে বাদ যাবে।
নিলামে ২৩ জনের দল পূর্ণ করার পাশাপাশি বাজেটের হিসাব ঠিক রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি খেলোয়াড় কেনার পর তার নাম, বিভাগ, ক্রয়মূল্য ও অবশিষ্ট পয়েন্ট নথিভুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত ১০ কোটি পয়েন্টের বাইরে গিয়ে খেলোয়াড় কেনার সুযোগ নেই। তাই শুরুতেই বেশি খরচ করলে শেষ দিকে প্রয়োজনীয় খেলোয়াড় সংগ্রহ কঠিন হয়ে উঠতে পারে।












