মারুফা জিপিএ ৪.০৬

নারী ক্রিকেটের বড় নাম এখন মারুফা আক্তার। দেশের হয়ে ক্রিকেট জয়ের পর এবার এসএসসি জয় করেছেন জাতীয় নারী দলের ক্রিকেটার মারুফা আক্তার। প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ ৪.০৬ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন নারী ক্রিকেট দলের পেসার মারুফা।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের পেসার মারুফা আক্তারের বাড়ি নীলফামারী জেলা সদরের সংগলশী ইউনিয়নের কাদিখোল গ্রামের মাস্টার গ্রামে। তার বাবা মোঃ আইমুল্লাহ একজন সাধারণ কৃষক। খেলাধুলার পাশপাশি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে মানবিক বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন মারুফা। জাতীয় দলে অনুশীলনের শত ব্যস্ততার মধ্যেও এমন ফলাফলে খুশি মারুফা।

ফলাফল প্রকাশের পর মারুফা বলেন, ‘অনুশীলনের কারণে পড়াশোনা সেভাবে করতে পারি নাই। মনে করেছিলাম পরীক্ষার ফল ভালো হবে না। কিন্তু আজ ফলাফল শুনে আমি খুব খুশি হয়েছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, খেলাধুলার সাথে পড়াশোনাটাও যেন ভালোভাবে চালিয়ে যেতে পারি।’

মারুফা আকতারের বাবা মোঃ আইমুল্লাহ বলেন, ‘মেয়ে আমার খেলাধুলা করেও যে ফলাফল করেছে তাতে আমি খুশি। আপনারা আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন আগামী দিনেও সে যেন আরও ভালো ফলাফল করতে পারে।’

মারুফা আক্তারের বড় ভাই আল-আমিন ইসলাম বলেন, ‘মারুফাকে আমি সব সময় বলেছি, খেলার পাশাপাশি পড়াশোনাও করতে হবে। খেলার সময় সে যেমন আমার পরামর্শ মেনে চলেছে, পড়ালেখার বেলায়ও সে আমার পরামর্শ মেনে চলেছে। এ জন্য আমি আমার বোনকে নিয়ে গর্বিত।’

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে জাতীয় দলে জায়গা করে নেয় মারুফা আকতার। সম্প্রতি শেষ হওয়া সিরিজেও তার বোলিংয়ের তোপ দেখেছে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল। প্রথম ওয়ানডেতে চার উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ে এই পেসার বড় ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশ-ভারতের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচেও দুই উইকেট নেয় এই তরুণী । তবে শেষ ওভারে যখন ভারতের জয়ের জন্য মাত্র ৩ রান দরকার, তখন নিজের জাত ভালোভাবেই বুঝিয়েছেন তিনি। দুই রান দেওয়ার পর তৃতীয় বলে ভারতীয় ইনিংসের সর্বশেষ উইকেট তুলে নেন তিনি। এর মাধ্যমে ম্যাচটি টাই হওয়ার পাশাপাশি সিরিজও শেষ হয়েছে সমতায়।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link