ফাহিমের ঝড়ে মান বাঁচল পাকিস্তানের!

প্রায় হেরেই গিয়েছিল পাকিস্তান। ফাহিম আশরাফের ঝড়ে এ যাত্রায় বাঁচল মান। নাটকের শেষটা সুখকর হলো না নেদারল্যান্ডসের জন্য। বড় মঞ্চে অভিজ্ঞতাই যে গড়ে দিল দুই দলের পার্থক্য। ডাচরা বুক চিতিয়ে লড়াই করল ঠিকই, তবে ফাহিমের বাধা টপকাতে ব্যর্থ হলো তারা। ফলাফল তিন উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল পাকিস্তান।

প্রায় হেরেই গিয়েছিল পাকিস্তান। ফাহিম আশরাফের ঝড়ে এ যাত্রায় বাঁচল মান। নাটকের শেষটা সুখকর হলো না নেদারল্যান্ডসের জন্য। বড় মঞ্চে অভিজ্ঞতাই যে গড়ে দিল দুই দলের পার্থক্য। ডাচরা বুক চিতিয়ে লড়াই করল ঠিকই, তবে ফাহিমের বাধা টপকাতে ব্যর্থ হলো তারা। ফলাফল তিন উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল পাকিস্তান।

এদিন সালমান আলী আঘার আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে আসে নেদারল্যান্ডস। শুরু থেকেই পাকিস্তানকে চাপে রাখার আভাস দিচ্ছিল তারা। পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট হারিয়ে তুলে নেয় ৫০ রান। ১০০ আসে ১২.১ ওভারেই। ডাচরা চোখে চোখ রেখেই লড়াই চালাতে থাকে।

তবে সায়িম আইয়ুবের ১৭তম ওভারে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। দুই উইকেট নিয়ে নেদারল্যান্ডসের বড় স্কোরের সম্ভাবনা নিমিষেই শেষ করে দেন তিনি। এরপর আর রানের গাড়ি বেশিদূর নিয়ে যেতে পারেনি ডাচরা। স্কোরবোর্ডে সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৮ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান আসে স্কট এডওয়ার্ডের ব্যাট থেকে। বলে সালমান মির্জা শিকার করেন তিন উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান লক্ষ্যটাকে সহজ করে নেয় শুরুতেই। সায়িমের ২৪ রানের ঝড় থেমে গেলে দায়িত্ব বুঝে নেন শাহিবজাদা ফারহান। ৪৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের ফলাফল নিয়ে আসেন হাতের মুঠোয়। তবে পাকিস্তান বলে কথা, সব হিসাব যে সহজে মেলে না।

ম্যাচের দখল যখন একটু একটু করে নিচ্ছিল পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস তখনও আশা হারায়নি। বোলারদের ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতায় মরণকামড় বসায় পাকিস্তানের ডেরায়।

৯৮ থেকে ১১৪—এই ১৬ রানের মধ্যেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। ব্যাটিং অর্ডারটা যেন তাসের ঘর। দমকা বাতাসে ভেঙে পড়ে সবকিছু। ফিকে হয়ে আসে জয়ের সম্ভাবনা।

তিন ওভারে ৩৩ রান তখনও দরকার পাকিস্তানের। দুই ওভারে এসে দাঁড়ায় ২৯ রানে। সমীকরণটা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যায়। শেষ ভরসা হয়ে তখনও দাঁড়িয়ে ছিলেন ফাহিম আশরাফ। আর ওটাই গড়ে দেয় ব্যবধান।

বড় মঞ্চে বড় দলের অভিজ্ঞতা বরাবরই বেশি। সেটাই পার্থক্য গড়ে দিল ম্যাচের ফলাফলে। ১৯তম ওভারে ২৪ রান তুলে নেন ফাহিম। আর তাতেই ডাচদের স্বপ্নের ইতি ঘটে। নাটকীয়তা শেষে তিন উইকেটের জয় পায় পাকিস্তান। দলের মান বাঁচিয়ে দেন ফাহিম।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link