স্লেজিং সামলানোর দীক্ষা নিচ্ছে পাকিস্তান

চলতি বছরের ডিসেম্বরে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছে পাকিস্তান। আর সেই সিরিজ নিয়েই সতীর্থদের সতর্ক থাকতে বলেছেন দলের উইকেটরক্ষক সরফরাজ আহমেদ।

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে অজি ক্রিকেটারদের স্লেজিংয়ের মুখে পারফর্ম করাটা যে চ্যালেঞ্জের ব্যাপার হবে সেটিই জানিয়েছেন সাবেক এ অধিনায়ক। একই সাথে, অচেনা কন্ডিশনে প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে ক্রিকেটারদের মানসিক প্রস্তুতির পরামর্শ দিয়েছেন সরফরাজ আহমেদ।

ক্যারিয়ারের এর আগে দুই বার অস্ট্রেলিয়া সফর করেছেন সরফরাজ। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই মূলত সতীর্থদের কিছুটা রসদ যোগাতে চেয়েছেন এ ক্রিকেটার। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশন সম্পর্কে মূল্যবান অভিজ্ঞতার আলোকে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের শেখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

এ নিয়ে ক্রিকেট পাকিস্তান-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ওদের স্টিভেন স্মিথ আছে। আমাদের আছে বাবর আজম। লড়াইটা হবে দুর্দান্ত। এরা দু’জনই প্রতিপক্ষে বোলারদের উপর চড়াও হতে পারে। প্রতিপক্ষ বোলারদের মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।’

এরপর শাহীন শাহ আফ্রিদি আর মিশেল স্টার্ককে একই কাতারে রেখে তিনি বলেন, ‘দু’জনই বিশ্বমানের বোলার। এ দুজনই ব্যাটারদের উপর ত্রাস ছড়াতে পারে।’

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে স্বাগতিকদের স্লেজিং যে চ্যালেঞ্জিং হতে পারে তা জানিয়ে সরফরাজ আরো বলেন, ‘ওদের কন্ডিশন অনেকটাই আলাদা। তা ছাড়া স্লেজিং অনেক বড় ফ্যাক্টর হতে পারে। আমাদের ক্রিকেটারদের সেটি সামলানোর মানসিক শক্তি থাকতে হবে।’

আগামী ২৬ ডিসেম্বর মেলবোর্ন টেস্ট দিয়ে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া মধ্যকার এই তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু হবে। একই সাথে, নতুন অধিনায়ক, নতুন কোচ, নির্বাচক মিলিয়ে এই সিরিজ দিয়ে পাকিস্তানের নতুন এক অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে।

লেখক পরিচিতি

বাইশ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করার চেষ্টা করি...

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link