টি-টোয়েন্টিতে ফিরছেন না তামিম

মাশরাফি বিন মুর্তজা নাকি ২০১৯ সালেই তাঁকে টি-টোয়েন্টি ছেড়ে দিতে বলেছিলেন।

তামিম ইকবাল টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেননি। তবে কার্য্যত তিনি এই ফরম্যাটে খেলছেন না প্রায় দেড় বছর ধরে। সর্বশেষ বাংলাদেশের হয়ে তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে নিজেকে নানা কারণে সরিয়ে নিয়েছিলেন তামিম। এরপর ইনজুরি থেকে পুরো সেরে না ওঠা এবং তরুনদের প্রতি অবিচার করতে না চাওয়ায় বিশ্বকাপেও যাননি। এবার তার কথায় জানা গেলো, পাকিস্তানের বিপক্ষেও টি-টোয়েন্টি সিরিজটা খেলবেন না তিনি।

ক্রিকেট বিষয়ক গণমাধ্যম ক্রিকবাজকে বলেছেন, পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় সফরকারী পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি তিনটি খেলবেন না তিনি। তবে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য টেস্ট সিরিজ দিয়ে আর্ন্তজাতিক খেলায় ফিরবেন এই বাহাতি ওপেনার।

তামিম বলেছেন ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া জাতীয় ক্রিকেট লিগের পঞ্চম রাউন্ডে খেলবেন তিনি। যাতে করে নিজেকে টেস্ট সিরিজের জন্য তৈরী করতে পারেন। নিজের অবস্থা বলতে গিয়ে তামিম বলেছেন, ‘আমি চিকিৎসকের সাথে দেখা করেছি। তারা আমাকে বলেছেন ৭ নভেম্বর থেকে আমি স্পিনের বিপক্ষে ব্যাট করতে পারবো। ফলে আমি এনসিএলের পঞ্চম রাউন্ডকে লক্ষ্য করেছি। আমি এখনও পুরোপুরি বুড়ো আঙুলের ইনজুরি থেকে সেরে উঠিনি। তবে তিন সপ্তাহের পুনর্বাসন শেষ করেছি। আরও এক সপ্তাহ বাকী আছে আমার ব্যাটিং শুরু করার।’

বাংলাদেশ টি-েটোয়েন্টি দল ১২ নভেম্বর তাদের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করবে। ১৯, ২০ ও ২২ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে তারা তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে। এরপর চট্টগ্রামে ২৬ নভেম্বর থেকে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। এরপর ঢাকায় আবার ৪ ডিসেম্বর থেকে দ্বিতীয় টেস্ট।

তামিম সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ২০২০ সালের মার্চে; দেশের মাটিতে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। মূলত পারিবারিক কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে ছিলেন না। এরপর দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেননি ইনজুরি থেকে সেরে না ওঠায়।

সর্বশেষ বিশ্বকাপ দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। এক ভিডিও বার্তায় তামিম বলেন যে, তিনি এই লম্বা সময় না খেলে হুট করে বিশ্বকাপে যেতে চাচ্ছেন না। এতে যেসব তরুণ খেলোয়াড় গত বছর দেড়েক ধরে খেলছেন ওপেনিংয়ে, তাদের প্রতি অবিচার করা হবে। যদিও, তিনি এরপর নেপালের এভারেস্ট প্রিমিয়ার লিগ (ইপিএল) খেলতে যান, এবং চোট নিয়ে সেখান থেকে ফিরে আসেন মাঝপথেই।

তবে তামিম যাদের জায়গা করে দিয়েছেন, তারা এই সিদ্ধান্তের প্রতি খুব সম্মান দেখাতে পারেননি। ফলে তামিমকে কমবেশি মিস করছে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link