বিশ্বকাপ খেলবেন না তামিম

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আগ্রহী নন তামিম ইকবাল খান। দীর্ঘ দিন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে দূরে থাকার কারণেই নিজকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ওপেনার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন তামিম।

তামিম জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর সাথে আলোচনা করেই এমন সিদ্বান্ত নিয়েছেন তিনি। অভিজ্ঞ এই ওপেনার মনে করছেন তাঁর অনুপস্থিতিতে এই সময় যারা খেলেছেন বিশ্বকাপেও তাদেরই খেলা উচিত।

তিনি বলেন, ‘একটা ঘোষণা ছিলো, আমি কিছুক্ষণ আগে বোর্ড সভাপতি পাপন ভাই ও প্রধান নির্বাচক নান্নু ভাইকে ফোন করেছিলাম। ওনাদের সাথে কিছু জিনিস শেয়ার করেছি। যেটা শেয়ার করতে চাই আপনাদের সাথেও। আমি ওনাদের বলেছি যে আমার বিশ্বকাপ খেলা উচিত না। আমি বিশ্বকাপ খেলতে চাই না।’

তামিম তাঁর সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘এটার দুই তিনটা কারণ রয়েছে। প্রথম কারণ হলো আমি এই ফরম্যাটটা খেলছি না অনেক দিন ধরে। দ্বিতীয় কারণ চোট। তবে চোট বড় সমস্য না। আশা করি বিশ্বকাপের আগেই ঠিক হয়ে যাবো। কিন্তু প্রধান কারণটা হলো আমি শেষ ১৫-১৬ টা টি-টোয়েন্টি খেলি নাই। আমার জায়গাতে যারা খেলছে আমি মনে করি কোন ভাবেই উচিত হবে না তাদের জায়গাতে খেলা। হঠাৎ করে এসে ওদের জায়গা নেওয়াটা উচিত না। তাই বিশ্বকাপটা আমার খেলা হচ্ছে না। আমি আরো একটা বিষয় পরিস্কার করে দেই আমি কিন্তু টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিচ্ছি না। এই সিরিজ ও বিশ্বকাপের জন্য শুভ কামনা রইলো। এটাই।’

তামিম দেশের হয়ে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন গত বছরের মার্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এরপর করোনার কারণে কিছু দিন বাংলাদেশ ক্রিকেটের বাইরে থাকলেও করোনা পরবর্তী নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে সিরিজ খেললেও পারিবারিক কারণে তামিম খেলেননি টি-টোয়েন্টি সিরিজে।

নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট এবং ওয়ানডে ও জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়ে টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজ খেললেও চোটের কারণে তামিম খেলতে পারেননি টি-টোয়েন্টি সিরিজে। চলতি মাসের শুরুর দিকে অনুষ্ঠিত হওয়া অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ছিলেন না অভিজ্ঞ এই ওপেনার। তামিম নেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও।

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link