পিএসজি ছেড়ে কোথায় যাবেন এমবাপ্পে?

অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে এতদিন ধরে রাখতে হয়েছে ফ্রেঞ্চ জায়ান্ট পিএসজিকে। এমবাপ্পের সাথে সবশেষ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ক্লাবের নীতিনির্ধারকই বনে গিয়েছিলেন এমবাপ্পে। এমনকি কিছুদিন আগে ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাঁখো নিজেই এমবাপ্পেকে প্যারিসে থেকে যেতে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু এত কিছুর পরেও মন ভরানী যায়নি এই ফরাসি সুপারস্টারের।

২০২৪ সাল পর্যন্ত পিএসজির সাথে চুক্তি আছে কিলিয়ান এমবাপ্পের। দুই পক্ষের সম্মতিতে চুক্তি এক বছর বাড়ানোর সুযোগও আছে। তবে চুক্তি নবায়ন তো দূরে থাক, চুক্তির মেয়াদ শেষ হবার আগেই প্যারিস ছাড়ার কথা ভাবছেন বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ী এমবাপ্পে।

২০১৮ সালে মোনাকো থেকে ১৮০ মিলিয়ন ইউরোর বিশাল ট্রান্সফার ফিতে পিএসজিতে আসেন এই ফরোয়ার্ড। এমবাপ্পের বেতন ভাতার ক্ষেত্রেও পিএসজিকে খরচ করতে হয় কাড়ি কাড়ি টাকা। তবে মেসি, নেইমার, এমবাপ্পের বিশ্বসেরা ফরোয়ার্ড ফরোয়ার্ড লাইন নিয়েও সুখী ছিলো না পিএসজি।

মেসি ও নেইমারের সাথে এমবাপ্পের সম্পর্কের শীতলতাটা সবারই জানা। পিএসজি ছেড়ে লিওনেল মেসির ইন্টার মিয়ামিতে যাওয়া চূড়ান্ত হয়েছে। আরেক তারকা নেইমারও যে এই দলবদলেই ক্লাব ছাড়বেন তা নিশ্চিত। সৌদি আরবের প্রো লিগে বিশাল অঙ্কের প্রস্তাব আছে নেইমারের জন্যও। এবার এমবাপ্পেও ক্লাব ছেড়ে গেলে তাই এক প্রকার তারকা শূন্যই হয়ে পড়বে পিএসজি।

এমবাপ্পেকে প্যারিসে রাখতে নিজেদের সাধ্যের সবটুকু ঢেলে দিয়েছে পিএসজি। বছরে ৭৫ মিলিয়ন ইউরো বেতনের পাশাপাশি ৭১ মিলিয়ন ইউরো লয়ালটি বোনাসও পান তিনি। তবে এত কাড়ি কাড়ি বেতন বোনাস কিংবা স্বয়ং ফরাসি প্রেসিডেন্টের বার্তাও খুব সম্ভবত থামাতে পারছে না এমবাপ্পেকে।

এখন প্রশ্ন হলো পিএসজি ছেড়ে কোন ক্লাবে যাবেন এমবাপ্পে? গত দুই গ্রীষ্মকালীন দলবদলের সবচেয়ে হট টপিক ছিলো এমবাপ্পের রিয়ালে আসার ইস্যু। গত বছর প্রায় সব কিছু চূড়ান্ত হবার পরেও শেষ মুহূর্তে রিয়ালে না আসার ঘোষণা দেন এমবাপ্পে।

এমবাপ্পের এমন আচরণে তাঁর ওপর বেশ নাখোশ ছিলেন মাদ্রিদ ভক্তরা। তবে রিয়ালকে বারবার হতাশ করা এই এমবাপ্পেকে কিনতেই রিয়াল আবার ঝাপাবে বলেই গুঞ্জন স্প্যানিশ ও ফরাসি গণমাধ্যম গুলোতে। ইতালিয়ান সাংবাদিক ফাব্রিজিও রোমানোও জানিয়েছেন এমনটাই। তবে আরেক স্প্যানিশ গণমাধ্যম জানাচ্ছে, গত মৌসুমে রিয়ালে আসা নিয়ে এমবাপ্পের এমন ঘটনার পর শুধুমাত্র ফ্রি এজেন্ট হলেই এমবাপ্পেকে দলে ভেরাবে রিয়াল।

তবে এমবাপ্পের রিয়ালে আসার ক্ষেত্রে বাধা হতে পারে তাঁর বেতন ভাতা। পিএসজির মোট বাজেটের প্রায় এক চতুর্থাংশই ব্যয় করা হয় এমবাপ্পের পেছনে। রিয়ালে আসলে নিজের বেতন কমিয়েই আসতে হবে তাকে।

রিয়ালের পাশাপাশি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও চেলসির মত ইংলিশ জায়ান্টরাও আগ্রহী হতে পারে এই ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ডের জন্য। ইংলিশ গণমাধ্যম গুলোর খবর, এমবাপ্পেকে দলে ভেরাতে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে এই দুই ক্লাব।

বরাবরই ক্লাবের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্নের কথা জানিয়ে এসেছেন এমবাপ্পে। তবে বছরের পর বছর ধরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজির ব্যর্থতার কারণেই এক প্রকার পিএসজি ছাড়ার কথা ভাবছেন এমবাপ্পে।

এদিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ইতিহাসের সফলতম ক্লাব রিয়ালে আসার স্বপ্নের কথাও এমবাপ্পে জানিয়েছেন বহুবার। তবে সব অঙ্ক আর ধাঁধা মিলিয়ে এই বিশ্বকাপ জয়ী তরুণকে আগামী মৌসুমে কোন ক্লাবে দেখা যাবে তা চূড়ান্ত হতে কিছুটা অপেক্ষা করতেই হচ্ছে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link