দশ দলের আইপিএল ও অন্যান্য

তবে সামনের আইপিএলেও দেখা যাবে ৮ দলকেই। ২০২২ সালের আইপিএল থেকে খেলবে ১০ দল। এছাড়া আসন্ন আইপিএলে মেগা অকশনের পরিবর্তে সাধারণ অকশন করার সিদ্বান্ত নেওয়া হয়েছে সভাতে। আজ বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা-এজিএমে এই সব সিদ্বান্ত নেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের আইপিএল শেষেই আলোচোনা হচ্ছিলো পরের আইপিএলেই বাড়তে পারে দল সংখ্যা। বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলির এক বক্তব্যের জের ধরে ভারতীয় মিডিয়া জানিয়েছিলো বাড়তে একটা দল। তবে একটি নয়, আইপিএলে দুটি দল বাড়ানোর সিদ্বান্ত নিয়েছে বিসিসিআই।

তবে সামনের আইপিএলেও দেখা যাবে ৮ দলকেই। ২০২২ সালের আইপিএল থেকে খেলবে ১০ দল। এছাড়া আসন্ন আইপিএলে মেগা অকশনের পরিবর্তে সাধারণ অকশন করার সিদ্বান্ত নেওয়া হয়েছে সভাতে। আজ বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা-এজিএমে এই সব সিদ্বান্ত নেওয়া হয়েছে।

করোনার কারণে চলতি বছরের আইপিএল ভারতে অনুষ্ঠিত হয়নি। নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস পর আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো আইপিএলের এবারের আসর। আইপিএল শেষে সৌরভ গাঙ্গুলি জানিয়ে ছিলেন করোনা নিয়ন্ত্রণে এনে পরের আইপিএল দেশেই আয়োজন করা হবে। তবে আজ সভাতে এই বিষয়ে কোন সিদ্বান্ত নেওয়া হয়নি।

আজকের সভাতে এনসিএ নিয়েও আলোচোনা হয়েছে। বেঙ্গালুর একাডেমিতে চাপ কমাতে দেশ জুড়ে আরো চারটি একাডেমী পুনর্গঠনের সিদ্বান্ত নেওয়া হয়েছে।

আইসিসির সাথে সম্পর্কিত কিছু বিষয় নিয়েও সিদ্বান্ত হয়েছে আজকের সভাতে। বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি আইসিসিতে বিসিসিআইয়ের পরিচালক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন, আর বিসিসিআইয়ের সচিব জয় শাহকে বিকল্প পরিচালক হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে। জয় শাহ আইসিসির প্রধান নির্বাহী কমিটিতে বিসিসিআইয়ের প্রতিনিধি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করবেন।

২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। সরকারের অনুমতি নিয়ে আইসিসির কাছে রাজস্ব ছাড়ের বিষয়ে চূড়ান্ত আহ্বান জানাতে আরও কিছুটা সময় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইসিসির কাছে ২০২০ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নিয়েছে।

সৈয়দ মোশতাক আলী ট্রফি শেষ হলে আরও ঘরোয়া টুর্নামেন্টের আয়োজনের  সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই। ১০ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়া সৈয়দ মোশতাক আলী ট্রফির পর রাষ্ট্রীয় সমিতি গুলোর সাথে আরও এক দফা পরামর্শের পরে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য সমস্ত টুর্নামেন্ট আয়োজনের  সম্ভবনা নিয়ে কথা আলোচোনা হয়েছে। তবে এই বিষয়ে কোন সিদ্বান্ত নেওয়া হয়নি।

সভাতে সদস্যরা নীতিগতভাবে আরো একমত হয়েছেন যে ঘরোয়া ক্রিকেট যদি বন্ধ থাকে বা আয়োজনে ঘাঠতি থাকে তবে ঘরোয়া ক্রিকেটার ও কর্মীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।তবে, সভায় প্রস্তাবিত ক্ষতিপূরণ কেমন হওয়া উচিত এই বিষয়ে কোন সিদ্বান্ত নেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন
মন্তব্যসমূহ
Loading...