আবারো আলোচনায় বোল্ট-লুইস দ্বন্দ্ব

উসাইন বোল্ট আর কার্ল লুইস ঠিক ‘কাছের বন্ধু’ নন। বরং বিভিন্ন সময়ে দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়েছে বেশ ক’বার। অতিসম্প্রতি লুইসের একটি বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আবারও মার্কিন সাবেক এই অ্যাথলেটকে আবারও তীর্যক মন্তব্য করেছেন বোল্ট।

বেইজিং অলিম্পিকে বোল্টের নজরকাড়া সব পারফরম্যান্সকে লুইস প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন, তার ১২ বছর পেরিয়ে গেছে। লুইসকে উদ্দেশ্য করে বোল্টের করা ‘তাঁকে আসলেই কেউ চেনে?’ মন্তব্যটারও আট বছর পেরিয়ে গেছে প্রায়। এমনকি লুইসের ‘সম্ভবত আমাকে তার একটু বেশিই শ্রদ্ধা করা উচিত’ টিপ্পনীটারও বয়সও ছয় বছর হয়ে গেছে।

তবে দুজনের তিক্ত সম্পর্কটাকে সম্প্রতি আবারও আলোচনায় এনেছে লুইসের একটা টুইট। গত ৪ মে তিনি টুইটারে অ্যাথলেটিক্সে করোনার প্রভাব নিয়ে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেন। তার সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘খেলাটার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটা সৎ আলোচনার এখনই মোক্ষম সময়। বৈশ্বিক মহামারি খেলাটাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। ফেডারেশন আর খেলোয়াড়দের ব্যাপারে আলোচনা করা উচিত।’

লুইস অ্যাথলেটিক্সের বিভিন্ন দিককে আরও বহুবার প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। সেটা মনে করিয়ে দিয়েই তার ব্যাপারে গ্যাজেত্তা দেল্লো স্পোর্তের এক সাক্ষাতকারে বোল্টের মতামত জানতে চাওয়া হয়। জবাবে বোল্ট জানান, অবসর নেয়ার পর তিনি কখনোই সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না, এমনকি অতীতের সঙ্গে তুলনাতেও যাবেন না তিনি! তার অভিমত, সব খেলাকেই সময়ের দাবী মেনে পরিবর্তনকে মেনে নিতে হয়।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link