‘আমাকে আর সাকিবকে ট্যাগ না করা অপমানজনক’

কলকাতা নাইট রাইডার্স ২০১২ সালে সর্বপ্রথম ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) শিরোপা জিতে। সেই ঘটনার আট বছর পূর্তি হয় গেল ২৭ মে। টুইটারে ‘ফিরে দেখা’ টুইটে মানবিন্দর বিসলা, গৌতম গম্ভীর, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, সুনিল নারাইন ও ব্রেট লিকে ট্যাগ করা হলেও ছিলেন না সেবারের অন্যতম দুই কাণ্ডারি সাকিব আল হাসান ও মনোজ তিওয়ারি।

এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলা দলের সাবেক ক্রিকেটার তিওয়ারি। তিনি মনে করেন, প্রাপ্য স্বীকৃতি দেয়নি কেকেআর। ফিরতি টুইটে লিখেছেন, ‘হ্যাঁ, আমি সহ অনেকেরই সেই রাতের সাথে অনেক স্মৃতি ও আবেগ জড়িয়ে আছে যা আমরা কখনোই ভুলবো না। তবে, টুইটটা দেখার পর বুঝলাম, অনেকেই অনেক কিছু ভূলে গেছে। আমাকে আর সাকিবকে (সাকিব আল হাসান) ট্যাগ না করা অপমানজনক। এই টুইটটা তো নাইটের সকল যোদ্ধাদের জন্যই সমান গুরুত্ববহ। খুবই হতাশাজনক!’

আইপিএলের সেই আসরে ১৬ ম্যাচে তিওয়ারি করেন ২৬০ রান। তিনি দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের মধ্যে ছিলেন চার নম্বরে। তার আগে ছিলেন অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর, জ্যাক ক্যালিস ও ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।

সাকিব আট ম্যাচ খেলে নেন ১২ উইকেট। করেন ৯১ রান। তিনি ২০১১ থেকে ২০১৭ – লম্বা সময় খেলেছেন কেকেআরের হয়ে।

কেকেআর নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ফের লিখেছে, ‘তোমাদের ভোলার কোনো উপায় নেই। আর কখনো তোমাদের ট্যাগ না করার ভুল করবো না। সেই রাতে তোমরা আমাদের বিশেষ যোদ্ধা ছিল। ২০১২ সালের সেই বিজয়ের জন্য তোমাদের কৃতিত্ব সব সময়ই স্বীকার করা হয়।

সেই ফাইনালে টানা দু’বারের শিরোপাধারী মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের মোকাবেলা করে কেকেআর। কেকেআরের ১৯১ রানের দেওয়া লক্ষ্যে পাঁচ উইকেট আর আর দুই বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌছায় সাকিব-তিওয়ারিরা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link