পাঞ্জাবের ভিত গড়ার কারিগর প্রিয়ানশ আরিয়া!

মিচেল স্টার্ককে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়েছেন। মূলত ওটাই ছিল একটা স্টেটমেন্ট, আজকের দিনটা আমার। পরের সময়টাতে প্রিয়ানশ আরিয়ার এফোর্টলেস ব্যাটিং মাথাব্যথার কারণ হয়েছে দিল্লির ক্যাপিটালসের জন্য।

মিচেল স্টার্ককে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়েছেন। মূলত ওটাই ছিল একটা স্টেটমেন্ট, আজকের দিনটা আমার। পরের সময়টাতে প্রিয়ানশ আরিয়ার এফোর্টলেস ব্যাটিং মাথাব্যথার কারণ হয়েছে দিল্লির ক্যাপিটালসের জন্য। যদিও শেষটা শুরুর উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে পারেনি।

প্রিয়ানশের ব্যাট হাসলেই হাসে পাঞ্জাব কিংসও। শেষ তিন ম্যাচে রান পাননি, পাঞ্জাবও শেষ তিন ম্যাচ জিততে পারেনি। টেবিলের সবথেকে উচ্চ আসন তাই ছেড়ে দিতে হয়েছে। সেই সাথে শঙ্কাও জেগেছে। শেষবেলায় এসে পা হড়কালে যে প্লে-অফের জায়গাটা পাকাপোক্ত করা কঠিন হয়ে যাবে।

তাই তো দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ম্যাচটা শুধু গুরুত্বপূর্ণতেই সীমাবদ্ধ নেই, আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার মিশনও। আর ঠিক এই সময়েই প্রিয়ানশ আরিয়া ফিরে পেলেন নিজের স্বভাবজাত ছন্দটা।

বিধ্বংসী মেজাজে সাবলীল ব্যাটিং, এই লাইনটা প্রিয়ানশের পাশেই মানাই। ড্রেসিংরুম থেকে মাঠ অবধি আসার যে সময়টা, এর মধ্যেই যেন সেট হয়ে যান, আর এরপর শুরু করেন চিরায়িত সেই ঝড়।

২৪ বলেই ফিফটি হাঁকিয়েছেন, পাওয়ার প্লে-টা পাঞ্জাবের নামে লিখে দিয়েছেন এই ব্যাটার। ব্যাটখানা যেন ধ্বংসের সুর তুলেছে। বোলার কে, কেমন এগুলো দেখার সময় ছিল না হাতে। স্রেফ বলটাকে দেখো আর বাউন্ডারির ওপারে পাঠাও, এই বুলি আওড়ে গিয়েছেন পুরোটা সময়।

ফিফটির পর অবশ্য কিছুটা মন্থর গতিতে ছুটেছে ব্যাট। দিল্লির নিয়ন্ত্রিত বোলিং খোলসবন্দী করে ফেলে তাকে। শেষমেষ থেমেছেন ৩৩ বলে ৫৬ রান করে। যেমন শুরুর আভাস দিয়েছিলেন, শেষটা তেমন হয়নি ঠিকই, তবে পাঞ্জাবের ভিত গড়ে দিয়েছেন শুরুর ঝড়ে।

Share via
Copy link