জিততেই ভুলে গেছে পাঞ্জাব!

প্রথম সাত ম্যাচের ছয় জয়, হার নেই একটিতেও। সবাইকে রীতিমতো চমকে দিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখা গেল পরের চার ম্যাচে। অক্ষর প্যাটেল আর ডেভিড মিলারের ব্যাটে চড়ে পাঞ্জাবকে পরাজয়ের হালি পূর্ণ করালো দিল্লি ক্যাপিটালস।

প্রথম সাত ম্যাচের ছয় জয়, হার নেই একটিতেও। সবাইকে রীতিমতো চমকে দিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখা গেল পরের চার ম্যাচে। অক্ষর প্যাটেল আর ডেভিড মিলারের ব্যাটে চড়ে পাঞ্জাবকে পরাজয়ের হালি পূর্ণ করালো দিল্লি ক্যাপিটালস।

আগে ব্যাট করে পাঞ্জাবের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২১০। জেতার জন্য যথেষ্ট রসদই ছিল স্কোরবোর্ডে। বল হাতে দিল্লির টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দেয় ৩৩ রানের মধ্যেই। স্বস্তির একটা আভাস বাতাসে ভেসে আসে পাঞ্জাব শিবিরে। এবার হয়তো জয়খরা কাটবে। তবে এরপরই বিপত্তির শুরু।

সেনাপতি অক্ষর প্যাটেল ব্যাট হাতে লড়াই চালান। সঙ্গী হিসেবে পান আরেক বিশ্বস্ত সেনানি ডেভিড মিলারকে। ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে থাকেন দুজন মিলে। মাঝপথে অক্ষর বিদায় বলেন ফিফটি তুলে। তখনও স্কোরবোর্ডের বিচারে দিল্লির জয় মানেই অবিশ্বাস্য কিছু।

মিলার এগিয়ে আসেন শেষ চেষ্টা করার জন্য। তবে তীরের দেখা পেলেও পৌঁছে দিতে পারেননি দলকে। ৫১ রানেই থামতে হয় তাঁকে। তখনও দিল্লির দরকার ৪১ রান। বাকি কাজটা করার সাহস দেখান আশুতোষ শর্মা এবং মাধব তিওয়ারি। কপি-বুক ফিনিশিংয়ে এনে দেন তিন উইকেটের জয়।

কাগজে-কলমে দিল্লির প্লে-অফের সুযোগ এখনও আছে। তবে বাস্তবিক অর্থে সেটা এক অলীক স্বপ্ন। অবিশ্বাস্য কিছু না ঘটলে প্লে-অফে পা রাখা সম্ভব নয় তাদের জন্য। তবে পাঞ্জাবের বিপদসংকেত আরও একবার বেজে উঠল। শেষবেলায় এসে পা হড়কানোর আশঙ্কা জেঁকে বসেছে শ্রেয়াসদের ঘাড়ে।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link