এই শ্রেয়াসকেই তো চায় পাঞ্জাব!

শ্রেয়াস যখন ২২ গজে ব্যাট হাতে নামেন ততক্ষণে পাঞ্জাব স্কোরবোর্ডে জমা করে ফেলেছে ৭৮ রান। এরপর সাবলীল গতিতেই ব্যাট চালিয়ে গেছেন শ্রেয়াস।

টানা তিন ম্যাচে পরাজয়। এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই। দলের বিপদে তাই সম্মুখসমরে হাজির কাপ্তান শ্রেয়াস আইয়ার। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে অনবদ্য এক ইনিংস খেলে আইয়ার দেখিয়ে দিলেন, ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প কিভাবে লিখতে হয়।

৫, ১৯ আর ৩০; শেষ তিন ম্যাচে এই ছিল শ্রেয়াসের ব্যাটের সংগ্রহ। তাঁর মতো ক্যালিবারের ব্যাটারের নামের সাথে এ যেন মানানসই নয় কোনোভাবেই। দলকেও হারতে হয়েছে প্রতিটা ম্যাচেই। তবে, যেখানে থেমে গেছিলেন সেখান থেকেই আবার প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন পাঞ্জাবের দলপতি।

দিল্লির বিরুদ্ধে শুরুটা করে দিয়েছিলেন প্রিয়ানশ আরিয়া। শ্রেয়াস যখন ২২ গজে ব্যাট হাতে নামেন ততক্ষণে পাঞ্জাব স্কোরবোর্ডে জমা করে ফেলেছে ৭৮ রান। এরপর সাবলীল গতিতেই ব্যাট চালিয়ে গেছেন শ্রেয়াস।

দিল্লির বোলারদের সমীহ না করে আক্রমণ চালিয়ে গেছেন নিজের চিরাচরিত রীতি মেনে নিয়ে। ৩৬ বলের ইনিংসে নামের পাশে জমা হয়েছে ৫৯ রান। পাঁচটি চারের সাথে তিনটি বড় বড় ছক্কা। আর, অধিনায়কের এই ইনিংসের সুবাদে পাঞ্জাব পেয়েছে ২১০ রানের জমাট সংগ্রহ।

বাতাসে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে শ্রেয়াস নাকি ভারতীয় দলের নেতৃত্বে আসবেন। এরই মাঝে হারতে থাকা পাঞ্জাবের নেতা খেললেন এমন এক নায়কোচিত ইনিংস যা এ কথাই প্রমাণ করে দেয়, শ্রেয়াস কাপ্তান হওয়ার শ্রেষ্ঠ ম্যাটেরিয়াল। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link