প্রভসিমরান ও প্রিয়ানশ, পাঞ্জাবের প্রদীপ বাতি

তাদের গড়ে দেওয়ার ভীতের উপর দাঁড়িয়ে শিরোপার প্রাসাদ বানানোর সমস্ত রসদ রয়েছে পাঞ্জাবের কাছে। এবার না হলে, আর কবেই বা শিরোপা পাঞ্জাবের হবে? 

পাঞ্জাব কিংসের কপালে শিরোপা জোটে না। কিন্তু এবার যেন সেই ধারায় আঘাত করতে চলেছে দলটি। সেই কৃতীত্ব অবশ্য পাঞ্জাবের দুই ধারাবাহিক যোদ্ধার প্রাপ্য। প্রথমজন প্রিয়ানশ আরিয়া, দ্বিতীয়জন দীর্ঘদিনের সেনানী প্রভসিমরান সিং। এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ভীষণ ধারাবাহিক এই দুইজন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষেও সেই একই ধাঁচের ব্যাটিং অব্যাহত রেখেছেন দুইজন।

প্রিয়ানশ আরিয়া এবারই প্রথম এসেছেন আইপিএলের দৃশ্যপটে। প্রথম মৌসুমেই নিজের একটা আলাদা জায়গা তৈরি করে ফেলেছেন তরুণ এই ব্যাটার। শুরু থেকেই আগ্রাসন, সেই সাথে একই ধারায় রানের ফোয়ারা- এই দুইয়ের মিশেলে প্রিয়ানশ এখন পাঞ্জাবের ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

কলকাতার বিপক্ষে স্রেফ ৩৫ বলে ৬৯ রানের একটি ইনিংস খেললেন তিনি। প্রায় দুইশো স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করেছেন। এবারের আইপিএলে এমন বিধ্বংসী ঢঙে ব্যাট করে চলেছেন ২৩ বছর বয়সী প্রিয়ানশ। চলতি মৌসুমে একটি সেঞ্চুরিও এসেছে তার ব্যাট থেকে। তার কাছ থেকে ডু-অর-ডাই ম্যাচেও পারফরমেন্সের প্রত্যাশার ঘর তৈরি হয়েছে পাঞ্জাব ভক্তদের মনে।

সেই ঘরের খুঁটি শক্ত করবার জন্যে অবশ্য প্রভসিমরান রয়েছেন। পাঞ্জাবকে ব্যাট হাতে দারুণ শুরু এনে দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি বহমান নদীর মতই অবদান রেখে চলেছেন প্রতিনিয়ত। কলকাতার বিপক্ষে ৮৩ রানের ইনিংস এলো তার ব্যাট থেকে। প্রায় ১৭০ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটিতে পাঞ্জাবের বড় সংগ্রহের ভীত হয়েছে পোক্ত।

সেই ২০১৯ সাল থেকে তিনি রয়েছেন পাঞ্জাবের ডেরায়। তবে ২০২৩ থেকে নিজের জন্যে একাদশে জায়গাটা নিয়মিত করতে পেরেছেন ধারাবাহিকতার কারণে। এবার তো তিনি রীতিমত উপভোগ করছেন যেন নিজের ব্যাটিং। সেই ধারাতে দুই খানা হাফসেঞ্চুরি মালিক এখন প্রভসিমরান সিং।

এই দুইজনের ওপেনিং জুটিতে আগ্রাসী শুরুর সাথে স্থিতিশীলতাও পাচ্ছে পাঞ্জাব কিংস। তাদের গড়ে দেওয়ার ভীতের উপর দাঁড়িয়ে শিরোপার প্রাসাদ বানানোর সমস্ত রসদ রয়েছে পাঞ্জাবের কাছে। এবার না হলে, আর কবেই বা শিরোপা পাঞ্জাবের হবে?

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link