বিপিএল ফিক্সিংয়ের শাস্তি কার্যকর করতে চলেছে বিসিবি

এর মধ্যে পরবর্তীতে এনামুল হক বিজয় পরে খেলার মধ্যে ফিরেছেন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে জাতীয় দলের ক্যাম্পেও রাখা হয়। শেষ পর্যন্ত তাঁরা সহ বাকি শীর্ষ ক্রিকেটাররা কি শাস্তি পেতে চলেছেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফিক্সিং ইস্যুতে সব প্রশ্নের চূড়ান্ত জবাব দিতে চলেছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ তদন্তের পর অবশেষে শাস্তির পথে হাঁটছে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তামিম ইকবাল দায়িত্ব নেওয়ার পরই যেন, তদন্তের পর্দা নামতে চলেছে। দোষীদের নাম অবশেষে ঘটা করে প্রকাশ্যে আসতে চলেছে।

২০২৫ আসরের সময় উঠেছিল গুরুতর বেশ কিছু অভিযোগ। ম্যাচ ফিক্সিং, স্পট ফিক্সিং, অস্বাভাবিক কিছু লেনদেন, আর মাঠের বাইরের সন্দেহজনক কিছু ঘটনা তখন বিসিবিকে নড়ে চড়ে বসতে বাধ্য করে।

বিসিবির অ্যান্টি-করাপশন অ্যান্ড ইন্টেগ্রিটি ইউনিট নিজেদের কার্যক্রম জোরদার করে। মাসের পর মাস ধরে চলেছে জিজ্ঞাসাবাদ ও আলামত সংগ্রহ — শেষ পর্যন্ত তৈরি হয়েছে প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার এক বিশাল তদন্ত প্রতিবেদন।

এই তদন্তের নেতৃত্বে ছিলেন আইসিসির-এর দুর্নীতি দমন ইউনিটে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন অ্যালেক্স মার্শাল। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান। দুজন মিলে চূড়ান্ত করেছেন শাস্তির সিদ্ধান্ত। সবুজ সংকেত দিয়েছেন বিসিবির  দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি তামিম ইকবাল।

বিসিবির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুই একদিনের মধ্যে আইসিসির সকল আচরণবিধি মেনেই চূড়ান্ত রায় দেওয়া হবে। এর ওপর ভিত্তি করে রায় কার্যকরের পথে হাঁটবে বিসিবি।

২০২৬ সালের ড্রাফটের আগেই তদন্ত প্রতিবেদন অনুয়ায়ী ‘রেড ফ্ল্যাগড’ কিছু ক্রিকেটারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তালিকা থেকে।  যদিও তখনও আনুষ্ঠানিক শাস্তি না থাকায় তারা অন্য ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট খেলতে পেরেছেন।

এর মধ্যে পরবর্তীতে এনামুল হক বিজয় পরে খেলার মধ্যে ফিরেছেন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে জাতীয় দলের ক্যাম্পেও রাখা হয়। শেষ পর্যন্ত তাঁরা সহ বাকি শীর্ষ ক্রিকেটাররা কি শাস্তি পেতে চলেছেন সেটাই এখন দেখার বিষয়।

Share via
Copy link