স্পেনের দাপট, বেলজিয়ামের বিদায়!

শেষ মুহূর্তে স্পেনই হাসল জয়ের হাসি। ৮৮ মিনিটে গিয়ে মন ভাঙল বেলজিয়ামের। ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে পা রাখল লামিন ইয়ামালরা। আর সেখানেই অপেক্ষা করছে অগ্নিপরীক্ষা।

শেষ মুহূর্তে স্পেনই হাসল জয়ের হাসি। ৮৮ মিনিটে গিয়ে মন ভাঙল বেলজিয়ামের। ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে পা রাখল লামিন ইয়ামালরা। আর সেখানেই অপেক্ষা করছে অগ্নিপরীক্ষা।

শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। বলের দখল, আক্রমণ কিংবা সুযোগ সৃষ্টি, সবখানেই এগিয়ে ছিল লা রোহা। প্রথম হাইড্রেশন ব্রেক পর্যন্ত ৬৪ শতাংশ বলের দখল ছিল স্পেনের, যেখানে বেলজিয়াম কেবল রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত ছিল। যদিও প্রথম ৩০ মিনিট পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

অবশেষে ম্যাচের ৩০ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই মুহূর্ত। দানি ওলমোর শট থিবো কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে কোনো ভুল করেননি ফাবিয়ান রুইজ। বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে এগিয়ে দেন তিনি।

গোল হজমের পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরতে শুরু করে বেলজিয়াম। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকে টিমোথি কাস্তানিয়ের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক হেডে সমতা ফেরান চার্লস ডি কেটেলারা। এই গোলের মাধ্যমে চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো গোল হজম করে স্পেন।

বিরতির পর ম্যাচ আরও জমে ওঠে। তবে গোল আর আসে না। অবশেষে কাঙ্ক্ষিত গোল ধরে আনে স্পেন। ৮৬ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মিকেল মেরিনো। মাত্র দুই মিনিট পরই হয়ে ওঠেন স্পেনের ত্রাতা। পাউ কুবারসির শট লামেন্স তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হলে ফিরতি বলে জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে দেন মেরিনো। পর্তুগালের বিপক্ষে যেমন শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে জিতিয়েছিলেন, বেলজিয়ামের বিপক্ষেও একইভাবে স্পেনকে তুলে দিলেন শেষ চারে।

২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন এখন স্পেনের সামনে। তবে সেই স্বপ্ন ছুঁতে হলে তাদের পাস করতে হবে কঠিন পরীক্ষায়। সামনে যে ফ্রান্স। তাদের টেক্কা দিয়ে ফাইনালে যেতে পারে কি না, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link