মাধেভেরের ‘বাংলাদেশ-প্রেম’ থামবে কবে?

কিছু সম্পর্ক বোধহয় নিয়তি ঠিক করে দেয়। ওয়েসলি মাধেভেরের ক্ষেত্রে সেই নিয়তির নাম বাংলাদেশ। দুই হাজার বিশ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার মঞ্চ হিসেবে বাংলাদেশকেই বেছে নিয়েছিল ভাগ্য, আর সেই থেকে এই দুইয়ের মধ্যে যেন গড়ে উঠেছে এক অমর প্রেমের সম্পর্ক। বাংলাদেশকে সামনে পেলেই ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন এই জিম্বাবুয়ে ব্যাটার, প্রতিবারই কিছু না কিছু রেখে যান স্কোরবোর্ডে।

কিছু সম্পর্ক বোধহয় নিয়তি ঠিক করে দেয়। ওয়েসলি মাধেভেরের ক্ষেত্রে সেই নিয়তির নাম বাংলাদেশ। দুই হাজার বিশ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার মঞ্চ হিসেবে বাংলাদেশকেই বেছে নিয়েছিল ভাগ্য, আর সেই থেকে এই দুইয়ের মধ্যে যেন গড়ে উঠেছে এক অমর প্রেমের সম্পর্ক। বাংলাদেশকে সামনে পেলেই ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন এই জিম্বাবুয়ে ব্যাটার, প্রতিবারই কিছু না কিছু রেখে যান স্কোরবোর্ডে।

আজ হারারেতে তৃতীয় ওয়ানডেতেও তার ব্যতিক্রম হলো না। ব্যাট হাতে নেমে খেললেন পঁচাত্তর রানের ঝলমলে ইনিংস, বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে ফরম্যাটে যা তার তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি। বিপর্যস্ত জিম্বাবুয়ের ইনিংসকে একাই টেনে তুলেছেন তিনি, ইনোসেন্ট কাইয়ার সঙ্গে গড়েছেন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। এই একটি ইনিংসেই যেন আরেকবার প্রমাণ হলো, বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে মাধেভেরে ঠিক কতটা স্বচ্ছন্দ।

 

সংখ্যাগুলো কথা বলে এই ভালোবাসার গল্প নিয়ে। ওয়ানডেতে তিনটি হাফ সেঞ্চুরির পাশাপাশি টি-টোয়েন্টিতে তিনবার আর টেস্টে একবার পঞ্চাশের ঘর ছুঁয়েছেন তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে। সব মিলিয়ে সাতটি হাফ সেঞ্চুরি, শুধু এই এক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেই। এমন ধারাবাহিকতা সহজে চোখে পড়ে না, বিশেষ করে যখন প্রতিপক্ষ বদলায় কিন্তু ফলাফল বদলায় না।

 

জিম্বাবুয়ের ড্রেসিংরুমে হয়তো এখন এটাই আলোচনার বিষয়, বাংলাদেশ এলেই কেন এত সহজ হয়ে যায় মাধেভেরের ব্যাটিং। উত্তর হয়তো লুকিয়ে আছে তার আত্মবিশ্বাসে, যা প্রতিটি সাক্ষাতে আরও দৃঢ় হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের বোলারদের জন্য প্রশ্নটা এখন আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

মাধেভেরে-বাংলাদেশ প্রেমের এই অধ্যায় কি এখানেই থামবে, নাকি সামনের সাক্ষাতগুলোতেও চলতে থাকবে এই একপেশে গল্প?

 

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link