জিম্বাবুয়েতে ৪ উইকেট নিয়ে জাত চেনালেন শরিফুল

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে শরিফুল ছিলেন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের মূল ভরসা। ১০ ওভারে ১ মেডেনসহ ৪৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে স্বাগতিক ব্যাটারদের চাপে রাখেন এই বাঁহাতি পেসার।

বাংলাদেশের পেস আক্রমণে এখন প্রতিযোগিতা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানাদের মতো পেসারদের ভিড়ে নিয়মিত একাদশে জায়গা পাওয়া সহজ নয়। তবে এই কঠিন লড়াইয়ের মধ্যেও শরিফুল ইসলাম বারবার প্রমাণ করেছেন, সুযোগ পেলে তিনি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু করে দেখাতে পারেন।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে শরিফুল ছিলেন বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের মূল ভরসা। ১০ ওভারে ১ মেডেনসহ ৪৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন তিনি। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে স্বাগতিক ব্যাটারদের চাপে রাখেন এই বাঁহাতি পেসার।

প্রথমে গত ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বেন কারানকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়ের ইনিংসে বড় ধাক্কা দেন শরিফুল। এরপর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ক্রেইগ আরভিনের উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করেন। শেষ দিকে ওয়েসলি মাধেভেরের সঙ্গে জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে লড়াইয়ের জায়গায় নেওয়া ব্র্যাড ইভান্সও তার শিকারে পরিণত হন। ইভান্সের ঝোড়ো ৫০ রানের ইনিংস থামিয়ে দেন শরিফুল, যা বাংলাদেশের জন্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয় দলে আসার পর থেকেই শরিফুলের সবচেয়ে বড় শক্তি তার ধারাবাহিকতা ও বড় মুহূর্তে পারফর্ম করার ক্ষমতা। চোট ও দলে জায়গার প্রতিযোগিতার কারণে মাঝে মাঝে একাদশের বাইরে থাকতে হলেও, যখনই সুযোগ পেয়েছেন তখনই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।

নতুন বলে সুইং, গতি ও বৈচিত্র্যের পাশাপাশি প্রয়োজনের সময়ে উইকেট তুলে নেওয়ার ক্ষমতা শরিফুলকে বাংলাদেশের পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য করে তুলেছে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই ম্যাচেও তার চার উইকেটের স্পেল আবারও মনে করিয়ে দিল—সুযোগ পেলে তিনি কতটা কার্যকর হতে পারেন।

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link