হেডিংলিতে লজ্জায় ডুবল পাকিস্তান!

ইংল্যান্ড রীতিমতো লজ্জায় ফেলল পাকিস্তানকে। ইনিংস ব্যবধানসহ ১০৩ রানের বিশাল পরাজয়, ইংলিশ দুর্গে যে টিকে থাকা সহজ নয়, তা হাড়ে হাড়ে টের পেল পাকিস্তান। বিন্দুমাত্র লড়াই তো করতেই পারেনি, বরং নিজেদের অসহায়ত্ব বারবার ফুটিয়ে তুলেছে সফরকারীরা।

ইংল্যান্ড রীতিমতো লজ্জায় ফেলল পাকিস্তানকে। ইনিংস ব্যবধানসহ ১০৩ রানের বিশাল পরাজয়, ইংলিশ দুর্গে যে টিকে থাকা সহজ নয়, তা হাড়ে হাড়ে টের পেল পাকিস্তান। বিন্দুমাত্র লড়াই তো করতেই পারেনি, বরং নিজেদের অসহায়ত্ব বারবার ফুটিয়ে তুলেছে সফরকারীরা।

ইংল্যান্ডের আমন্ত্রণে ব্যাট হাতে নামে পাকিস্তান। আর শুরুতেই হোঁচট খায় তারা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ছয় রানেই দুই উইকেট নেই, মেঘ যে কালো হয়ে আসছে, তার আঁচ পাওয়া যায় তখন থেকেই। তবে আবদুল্লাহ শফিকের ফিফটি আর ইমাম-উল-হকের ৪২ রান কোনোমতে একটা সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে যায় পাকিস্তানকে। প্রথম ইনিংস শেষ হয় ১৭১ রানে।

যে পিচে পাকিস্তান অসহায়, সেখানেই গর্জে ওঠে ইংল্যান্ড। জর্ডান কক্স, হ্যারি ব্রুক, জো রুট এবং ড্যান লরেন্স ফিফটি হাঁকান। নয় রানের জন্য সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ ছিল ব্রুকের। তবে দলগত প্রচেষ্টায় ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষে যোগ হয় ৪০৯ রানের পাহাড়। বল হাতে পাকিস্তানের হয়ে ফাইফার শিকার করেন আলি উসমান। সাফল্য বলতে ওটুকুই।

বিশাল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা পাকিস্তান এই ম্যাচে যে কোথাও নেই, তা দ্বিতীয় ইনিংস শুরুর আগেই বোঝা গিয়েছিল। তবে চেষ্টা করতে ক্ষতি কী, এই সমীকরণ মাথায় নিয়েই মাঠে নামে তারা। তবে সব চেষ্টার ফল সফলতা হয়ে আসে না।

এই ইনিংসেও শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে পাকিস্তান। যেটুকু সম্ভাবনা ছিল, সেই প্রদীপ নিভে যায়। পাকিস্তানের ব্যাটাররা যেন ব্যাট করতেই ভুলে গেছেন। ইংল্যান্ডের বোলিং লাইনআপ বারবার পরীক্ষা নিয়েছে, আর সেই পরীক্ষায় ঢাহা ফেল করেছে পাকিস্তানের ব্যাটাররা।

এক মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪১ রানের ইনিংস ছাড়া বলার মতো কিছুই ছিল না। অগত্যা ১৩৫ রানেই ইনিংস শেষ হয়ে যায় পাকিস্তানের। আর সেই সঙ্গে ১০৩ রানের ইনিংস ব্যবধানের পরাজয়টা সঙ্গী হয় সালমান আলী আঘার দলের।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link