কলকাতার মাটিতে ইতিহাস গড়ার রাতে ভারতের বিরুদ্ধে দাপুটে জয়ের নেপথ্যে আসল নায়ক এস্তেভাও উইলিয়ান। ডান উইং জুড়ে নিজের অসাধারণ ড্রিবলিং, গতি আর ভিশন দিয়ে ভারতীয় ডিফেন্সকে একপ্রকার ব্যতিব্যস্ত রাখেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। এক গোল ও এক অ্যাসিস্টের জাদুকরী পারফরম্যান্সে কলকাতার দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি।
ম্যাচের শুরু থেকেই ডান প্রান্ত দিয়ে বারবার আক্রমণে উঠছিলেন এস্তেভাও। দীর্ঘক্ষণ ভারতীয় প্রতিরোধ ভাঙতে না পারা ব্রাজিলকে ২৮তম মিনিটে প্রথম উদযাপনের সুযোগ করে দেন তিনিই।

মাতেওজিনহোর কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের ডান প্রান্তে কিছুটা জায়গা তৈরি করে নেন এস্তেভাও। এরপর বাঁ পায়ের শটে গোলপোস্টের উপরের ডান কোণ দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন, যা ঠেকানোর কোনো সুযোগই ছিল না ভারতীয় গোলরক্ষক গুরুপ্রীত সিং সান্ধুর।
গোল করার পর সতীর্থদের গোল বানিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নেন চেলসির এই ওয়ান্ডারকিড। ম্যাচের ৪২তম মিনিটে তাঁর খেলার দূরদর্শিতার উজ্জ্বল প্রমাণ মেলে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে একটি নিখুঁত ও সূক্ষ্ম থ্রু পাস বাড়ান তিনি। সেই পাস ধরে বক্সের ডান দিক থেকে দারুণ শটে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন স্ট্রাইকার পেদ্রো।

শুধু গোল বা অ্যাসিস্টেই সীমাবদ্ধ ছিল না তার পারফরম্যান্স। বিরতির ঠিক পরপরই তাঁর আরেকটি বুদ্ধিদীপ্ত বাড়ানো বল থেকে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের জোরালো শট কোনোমতে রক্ষা করেন গুরুপ্রীত। গতি, ড্রিবলিং এবং নিখুঁত পাসিং দিয়ে যুবভারতীর সবুজ গালিচায় সাম্বা ফুটবলের আসল সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলেছেন এস্তেভাও, যা দীর্ঘদিন মনে রাখবে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীরা।











