আম খেতে খেতেও বিরাটকে খোঁচা নাভিনের

বিবাদটা ছিলো মূলত গৌতম গম্ভীর আর বিরাট কোহলির। সেই বিবাদটা যেন এখন অনেকটাই হয়ে গেছে নাভিন উল হক ও বিরাটের মধ্যে। নিজের মেন্টর গম্ভীরের লড়াইটা অনেকটা নিজের করে নিয়েছেন আফগান পেসার নাভিন।

কদিন আগেই গম্ভীরের সাথে ছবি পোস্ট করে বিরাটকে খোঁচা দেয়া ক্যাপশন দেন। এখানেই থেমে যাননি নাভিন। এবার মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ব্যাঙ্গালুরুর হারার দিন আবারো বিরাটকে এক প্রকার খোঁচা দিয়ে ইন্সটাগ্রাম স্টোরি দিয়েছেন এই আফগান পেসার।

লখনৌ সুপার জায়ান্টস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর মধ্যকার ম্যাচে লখনৌ মেন্টর গম্ভীরের দিকে লক্ষ্য করেই বারবার উদযাপনে মেতে উঠছিলেন বিরাট। বিরাটের সেই অতি উদযাপনের বিবাদের শুরু নাভিনের সাথে। যেটা গড়িয়েছে ম্যাচে শেষেও। নাভিন যে বিরাটের সাথে সেই বিরোধ কোথায় এখনো ভুলতে পারছেন না সেটি বোঝা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর কার্যক্রমে।

কদিন আগেই মেন্টর গম্ভীরের সাথে ছবি পোস্ট করে নাভিন লিখেছিলেন, ‘মানুষকে ঠিক তেমন ভাবে মূল্যায়ন করো যেভাবে তুমি মূল্যায়িত হতে চাও। মানুষের সাথে ঠিক তেমন ভাবেই কথা বলো, যেমনটা তুমি চাও যে মানুষ তোমার সাথে সেভাবে কথা বলুক।’

এবার হোটেল রুমে বসে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর ম্যাচ দেখছিলেন নাভিন। সেই ম্যাচে মুম্বাইয়ের কাছে এক প্রকার নাস্তানাবুদই হয়েছে ব্যাঙ্গালুরু। টেলিভিশনের পর্দায় সেই ম্যাচ দেখতে দেখতে আম খাচ্ছিলেন নাভিন। আর স্টোরি দিয়ে সেটার ক্যাপশনে লেখেন, ‘মিষ্টি আম’। ব্যাঙ্গালুরুর হার যে বেশ উপভোগ করছিলেন নাভিন তা বোঝা যাচ্ছিলো তাঁর স্টোরি দেখেই।

সেউ ম্যাচে আবার ব্যাট হাতে বিরাট ছিলেন ব্যর্থ। চার বলে মাত্র এক রান করে আউট হন তিনি৷ স্টোরিতে বিরাট কোহলিকে সরাসরি কিছু না বললেও নাভিন যে বিরাট আর ব্যাঙ্গালুরুর ব্যর্থটা উপভোগ করছেন তা মোটামুটি তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন পরোক্ষ ভাবে।

ব্যাঙ্গালুরু যখন হারের দ্বারপ্রান্তে তখন আবারো ইন্সটাগ্রামে স্টোরি দেন নাভিন। এবার লেখেন, ‘দ্বিতীয় বার খাচ্ছি। আমার খাওয়া অন্যতম সেরা আম ছিলো। ‘ বারবার আমের প্রসংশা করলেও নেটিজেনদের বুঝতে মোটেও সমস্যা হয়নি নাভিন কাকে খোঁচাটা দিতে চাচ্ছেন।

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link