আতহারের ১৬ সদস্যের বিশ্বকাপ দলে ছয় পেসার!

বিশ্বকাপের দল ঘোষণার ক্ষেত্রে বাকি দলগুলোর চেয়ে একটু পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ দল। পাকিস্তানের মত তারাও একদম শেষ সময়ে গিয়ে দল ঘোষণা করবে। ফলে, কেমন হবে বাংলাদেশ দল? – সেই নিয়ে জল্পনা একটু বেশিই বটে।

সেখানে সামিল হলেন সাবেক ক্রিকেটার আতহার আলী খান। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে জানিয়ে দিলেন নিজের পছন্দের বিশ্বকাপ দল। মজার ব্যাপার হল, নিজের দলে ছয়জন পেসার রেখেছেন সাবেক এই ওপেনার। আর সেটা করতে গিয়েই ১৫ জনের জায়গায় ১৬ জনের বিশ্বকাপ দল দিয়েছেন আতহার।

তাঁরা হলেন – তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, তানজিম হাসান সাকিব ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তবে, বাস্তবতা হল খেলা যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে – তখন এত পেসার নিয়ে বাংলাদেশ আদৌ খেলতে যাবে কি না – তা নিয়ে সন্দেহ থাকছেই।

স্কোয়াডের বাকি দশজন মোটামুটি অনুমিতই। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, জাকের আলী অনিক, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদী হাসান। যদিও, দলে জায়গা হয়নি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দলে থাকা তানভির ইসলামের।

স্ট্যান্ডবাই আছেন তিনজন। তিনজনই ব্যাটার। তাঁরা হলেন – মোহাম্মদ নাঈম শেখ, পারভেজ হোসেন ইমন ও নুরুল হাসান সোহান।

  • আতাহার আলী খানের বিশ্বকাপ স্কোয়াড: অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, সৌম্য সরকার, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, জাকের আলী অনিক, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, তানজিম হাসান সাকিব ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
  • স্ট্যান্ড বাই: মোহাম্মদ নাঈম শেখ, পারভেজ হোসেন ইমন ও নুরুল হাসান সোহান।

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link