একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করতে করতে জয়টাই হাতছাড়া করে ফেলল বাংলাদেশ। নিশ্চিত জয়টাকে পায়ে ঠেলে বেছে নিল ড্রয়ের পথ। আফগানিস্তানের কাছে যেটা জয়ের সমতুল্য! চার সেশন হাতে পেয়েও ব্যর্থ হলো বাংলাদেশের বোলাররা।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ দুর্দান্ত শুরু করেছিল। ১২৪ রানের ওপেনিং জুটি বলে দিচ্ছিল বড় সংগ্রহের পথেই হাঁটবে তারা। দুই ওপেনারের ফিফটির পর অবশ্য ছন্দপতন ঘটে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ব্যাটিং অর্ডার। লিটন দাসের চেষ্টায় অবশ্য সে যাত্রায় ৩৪৬ রান তোলে বাংলাদেশ।
জবাব দিতে নেমে আফগান ব্যাটিং অর্ডারকে দিতে হয় হাসান মাহমুদ এবং এবাদত হোসেনের পরীক্ষা। দুই পেসার মিলে ঝুলিতে নেন নয় উইকেট। আফগানদের হয়ে প্রাপ্তি ছিল রহমত শাহর সেঞ্চুরি। ২৪০ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস।

তৃতীয় ইনিংসে ১০৬ রানে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ পাহাড়সম সংগ্রহের দিকে ধাবিত হয়। নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিমের ৮০ পেরোনো ইনিংসের পর আসে লিটন দাসের সেঞ্চুরি। তাতেই ৪৭৯ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করায় বাংলাদেশ।
লক্ষ্য তাড়া করাটা অসম্ভব। ২৮ রানে দুই উইকেট হারানো আফগানিস্তান যে পরাজয় বরণ করবে, সেটা সবাই ধরেই নিয়েছিল একজন ছাড়া। তিনি সেদিকুল্লাহ অটল। একপ্রান্তে এক অসম লড়াই শুরু করেন। সময়ক্ষেপণ করাটাই তখন লক্ষ্য তাঁর। শেষ দিনের প্রথম দুই সেশনটা আফগানদের বিশ্বাস করায়, এই ম্যাচে তারা আছে। তবে ৩৩২ বল খেলে ১১১ রান করা অটলের বিদায়ের পর আশার দ্বীপটা নিভু নিভু করে ওঠে।
এরপরই শুরু হয় আসল নাটক। একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করা, রান আউট মিস, ক্যাচ মিস, আর ইয়ামিন-কায়েসের অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ বাংলাদেশের জয়টা ছিনিয়ে নেয়। নিশ্চিত জয়টা হাতছাড়া করে ফেলে বাংলাদেশ, ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় শান্তদের।











