সাকিব জ্বলে উঠলেই জিতবে বাংলাদেশ!

বিশ্বকাপের আগে প্রত্যাশার পারদ নেমে এসেছিল শূন্যের ঘরে, তবে গ্রুপ পর্বে ঠিকই তিনটি জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবেই জায়গা মেলে সুপার এইটে, আর এই পর্বে টাইগারদের দ্বিতীয় ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে। বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ মানেই বাড়তি রোমাঞ্চ, তাই তো এমন ম্যাচে দলের প্রধান তারকা সাকিব আল হাসানের দিকে বাড়তি নজর থাকবে।

সাবেক তারকা জহির খানও জানেন সেই কথা; তাঁর মতে, সাকিব ছন্দে থাকলেই ভাল ফলাফল করতে পারে টিম টাইগার্স। তিনি বলেন, ‘সাকিবের সেরা ছন্দে থাকা জরুরি। তাকে ভাল ব্যাটিং করতে হবে। কারণ, বাংলাদেশ যখনই ভালো করে, এর সঙ্গে সাকিবের কোনো না কোনো সংযুক্তি থাকেই। এমনটা অনেকদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে।’

যদিও এবারের বিশ্বকাপে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার আছেন নিজের ছায়া হয়ে। ব্যাট হাতে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে একটা হাফসেঞ্চুরি এবং বল হাতে নেপালের বিপক্ষে দুই উইকেট বাদ দিলে তাঁর ঝুলিতে নেই বলার মত কিছুই।

হয়তো সেই কারণেই সাকিবের পাশাপাশি ভারতীয় এই পেসার ইনফর্ম তাওহীদ হৃদয়, অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ, লিটনদের দায়িত্ব নিতে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘মাহমুদউল্লাহকে এখন ফর্মে দেখা যাচ্ছে। তাওহীদ হৃদয়ের ওপরও দায়িত্ব থাকবে ভালো করার। অন্যদিকে ভালো শুরু এনে দেওয়ার কাজটা করতে হবে লিটন দাসকে।’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারলেও টিম ইন্ডিয়াকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলবে নাজমুল শান্তর দল এমনটাই মনে করেন এই কিংবদন্তি। ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও দুই দলের লড়াই গড়িয়েছিল শেষ বল পর্যন্ত। এবারও সেরকম কিছু হতে পারে, ধারণা তাঁর।

তিনি বলেন, ‘ভালো ক্রিকেট খেলেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ কখনো সহজ হয় না। তাঁরা সুযোগ পেয়ে যায় এমন কোন ভুল করা যাবে না। তাঁদের এটা বিশ্বাস করতে দেয়া যাবে না যে তারাও জিততে পারে।’

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link