পাকিস্তানকে হারিয়ে এর আগেও ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ

সরল সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে পেছন ফিরে তাকালে কেবল শুধুই হতাশার গল্প। কিন্তু মেঘের আড়ালে সূর্যের হাসিও তো থাকে। 

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্যে এক প্রকার অর্থহীন। রানরেট, জয়-পরাজয় কোনটাই মুখ্য নয়। কেননা স্রেফ পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ই বাংলাদেশের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে পারবে। এই সরল সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে পেছন ফিরে তাকালে কেবল শুধুই হতাশার গল্প। কিন্তু মেঘের আড়ালে সূর্যের হাসিও তো থাকে।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক স্মৃতি সম্ভবত ২০১২ এশিয়া কাপের ফাইনাল। স্রেফ দুই রানের ব্যবধানে সেবার শিরোপা হাতছাড়া হয়েছিল বাংলাদেশের। এছাড়াও আরও ১৫ বার দুই দল হয়েছে মুখোমুখি। দুই দলের দ্বৈরথে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে আছে পাকিস্তান। ১৩ ম্যাচে জয় পেয়েছে দলটি।

বাংলাদেশ স্রেফ দুইটি জয় ছিনিয়ে নিতে পেরেছে পাকিস্তানের কাছ থেকে। এর মধ্যে একটি জয় আছে ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে একটি জয়, ও ২০১৮ সালে ওয়ানডে ফরম্যাটে একটি জয়। কিন্তু একটা দারুণ বিষয় রয়েছে এই দুই জয়ের পেছনে। এই দুই ক্ষেত্রেই পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার টিকিট কেটেছিল বাংলাদেশ।

২০১৬ সালে ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হারিয়ে নিজেদের তৃতীয় জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। রাউন্ড রবিন লিগে সেটিই ছিল বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ। পাকিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট ব্যবধানে জয়, বাংলাদেশকে ছয় পয়েন্ট পেতে সহয়তা করেছিল। পাকিস্তানের পয়েন্ট ছিল চার। শীর্ষ দুইয়ে থেকে সেবার ফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ।

প্রায় একই ধরণের ঘটনা ঘটেছে ২০১৮ সালেও। সেবারও পাকিস্তানকে পরাস্ত করে ফাইনালে উঠেছিল টিম টাইগার্স। সুপার ফোরে নিজেদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান হয়েছিল মুখোমুখি। এর আগে একটি করে জয় পেয়েছিল দুই দল। অর্থাৎ যে জিতবে সেই চলে যাবে ফাইনালে। এমন সরল সমীকরণের ম্যাচে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ জিতেছিল ৩৭ রানের ব্যবধানে।

প্রায় বছর সাতেক পর, একই সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের বিচারে কোন একটা দলকে এগিয়ে রাখারও সুযোগ নেই। তবে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ রয়েছে নিকট অতীতের ইতিহাসের আরও একটি পুনরাবৃত্তি ঘটানোর। বাংলাদেশ কি পারবে?

Share via
Copy link