ঘোরতর বিপদে বেন ডাকেটের অনবদ্য সেঞ্চুরি!

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে। বেন ডাকেট একাই চললেন, পাকিস্তানের বোলারদের বিপক্ষে একাই লড়ে গেলেন।

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে। বেন ডাকেট একাই চললেন, পাকিস্তানের বোলারদের বিপক্ষে একাই লড়ে গেলেন। ১৯ রান হতে না হতেই তিনজনকে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। এর মধ্যে জো রুট, সাথে আগের ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরি করা হ্যারি ব্রুকও আছেন। এমন দশা থেকে উত্তরণের উপায়, কাউকে হাল ধরতে হবে। সেই কাজটাই করে গেলেন ডাকেট। যা রূপ নিল অনবদ্য সেঞ্চুরিতে।

খুব ভালো শেপে ছিলেন না তিনি। শেষ চার ম্যাচে কোনো ফিফটি পাননি। ভালো শুরুর পরও ইনিংস টেনে নিয়ে যাওয়া আর হয়ে ওঠেনি। তবে মোক্ষম ইনিংসটা খেললেন দলের ঘোরতর বিপদের দিনে।

একপাশে সঙ্গীরা যখন ইনিংসের আত্মাহুতি দিয়ে সাজঘরে ফিরছেন। লাহোরের নীল আকাশের নিচে তখন ব্রিটিশ রণতরির ভার ডাকেটের কাঁধে। মাঝপথে হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন স্যাম কারান, তবে ৯৩ রানের পথচলা থামিয়ে তিনিও প্রস্থানের পথ বেছে নেন। আবারও একা, সব হারানো দলের কাণ্ডারি হয়ে টিকে থাকেন ডাকেট।

ফিফটি আসে, পাকিস্তানের বোলারদের চাপকে উপেক্ষা করে নিজের গণ্ডিতেই বিচরণ করেন তিনি। ভালো বলটাকে সমীহ করে মন্দটাকে ঠিকই পাঠিয়েছেন সীমানার ওপারে। কোনো চাপ নেই, কোনো তাড়াহুড়ো নেই। তিনি জানেন তাঁর কাজ কী। এক কথায়, সময়ের নিয়ন্ত্রণ যেন ডাকেট নিজের হাতেই রেখেছেন।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের পাঁচ নম্বর সেঞ্চুরিটাও ধরা দিল অনায়াসে। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন। একা লড়ে গিয়ে, সব চাপের বাধা পেরিয়ে এই ইনিংসটা অনবদ্য, অসাধারণ। শেষমেশ হার মানতে হলো তাঁকেও। শূন্য থেকে শুরু করে দলের রান যখন ১৮৭, তখনই থামলেন তিনি। ব্যক্তিগত খাতায় ১০৫

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link