অদম্য বাংলাদেশের ফাইনাল ম্যাচ বয়কট করলেন সাংবাদিকরা

মাঠে অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে ধুমকেতু একাদশ ও দুর্বার একাদশের মধ্যে খেলা চলমান ছিল বটে। নিজেদের প্রতিবাদ কর্মসূচীর আওতায় সেই ম্যাচ বর্জন করেছেন সাংবাদিকরা।

মাঠ ছেড়ে বেড়িয়ে যাচ্ছেন সাংবাদিকরা। সাংবাদিকদের কাজের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ হিসেবেই অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনাল ম্যাচ বর্জন করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিকরা। সম্প্রতি বেশ আলোচিত-সমালোচিত এক ছবির রেশ ধরেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আচরণে ক্ষুব্ধ সাংবাদিকমহল।

বোর্ড পরিচালক ফারুক আহমেদ, খালেদ মাসুদ পাইলট ও এম নাজমুল ইসলামের একটা ছবি সম্প্রতি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে। প্রেসিডেন্ট বক্সে এই তিন পরিচালকের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হচ্ছে বলেই সেই ছবিতে প্রতিফলিত হয়েছে। তাতে করে ক্রিকেট বোর্ডের অন্দরমহলে কলহ রয়েছে- সে বিষয়টিই বরং জনসম্মুখে চলে আসে।

আর সেই ছবির তোলার দায়ে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানের ফটো-সাংবাদিককে ব্যক্তিগতভাবে ই-মেইল করে বিসিবি। সেই ই-মেইলে রীতিমত শাসানো হয় সেই ফটো-সাংবাদিককে। সেই ই-মেইলনের শব্দচয়ন স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থি- এমনটাই মত সাংবাদিকদের। প্রতিবাদ হিসেবে ম্যাচ বয়কটের ডাক দেন সাংবাদিকরা।

সন্ধ্যা ছয়টা অবধি বিসিবিকে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে বিসিবির পক্ষ থেকে সেই হুঁশিয়ারি বার্তার ভাষা ও প্রক্রিয়া নিয়ে আনুষ্ঠানিক দুঃখপ্রকাশের দাবি জানান সাংবাদিকরা। কিন্তু সেই প্রতিবাদের পরিপ্রেক্ষিত কোন সাড়া দেয়নি। স্বাভাবিকভাবেই তাই প্রতিবাদ হিসেবে মাঠ ত্যাগ করেছেন ক্রীড়া সাংবাদিকরা।

মাঠে অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে ধুমকেতু একাদশ ও দুর্বার একাদশের মধ্যে খেলা চলমান ছিল বটে। নিজেদের প্রতিবাদ কর্মসূচীর আওতায় সেই ম্যাচ বর্জন করেছেন সাংবাদিকরা।

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link