লঙ্কানদের ভরসা হয়ে এলেন কামিল মিশারা!

ট্রাই নেশন সিরিজের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। পাকিস্তানের জন্য না হলেও শ্রীলঙ্কার ফাইনালে যাওয়ার শেষ একটা সুযোগ। আর এমন সময় জ্বলে উঠলেন কামিল মিশারা। দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট চালালেন, লঙ্কানদের জন্য ফাইনালের পথটা সুগম করলেন।

ট্রাই নেশন সিরিজের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। পাকিস্তানের জন্য না হলেও শ্রীলঙ্কার ফাইনালে যাওয়ার শেষ একটা সুযোগ। আর এমন সময় জ্বলে উঠলেন কামিল মিশারা। দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট চালালেন, লঙ্কানদের জন্য ফাইনালের পথটা সুগম করলেন।

পাথুম নিশাঙ্কার সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামলেন। ছকটা তখন থেকেই কষে রেখেছিলেন, পয়েন্ট টেবিলের সমীকরণটা দেয়ালে পিঠ ঠেকাতে বাধ্য করেছে। পাকিস্তানের ফাইনালটা নিশ্চিত হয়েছে, অবস্থানের বিচারে এগিয়ে রয়েছে জিম্বাবুয়েও। তাই তো হারলেই শেষ ফাইনালের স্বপ্ন।

তাই তো একটা ভালো শুরুর দরকার ছিল, তবে নিশাঙ্কা দ্রুত ফিরে যাওয়ায় শঙ্কার মেঘটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। তবে মিশারা মাথাটা ঠান্ডায় রাখলেন। জেতার বিকল্প নেই, তাই তো হাল ছাড়লে চলবে। একপ্রান্তে তাই নিজের কাজটা করতে থাকলেন।

১৬.৫ ওভার পর্যন্ত লড়াই চালালেন মিশারা। আবরার আহমেদের শিকার হয়ে যখন সাজঘরে ফিরে যাচ্ছেন দলের স্কোরবোর্ডে রান এনে দিয়েছেন ১৫৩। সেই সঙ্গে নিজের নামের পাশে ৪৮ বলে ৭৬ রানের অনবদ্য এক নক। স্কোরকার্ডটাই বলে দেয় লড়াইটা প্রায় একাই চালিয়েছেন মিশারা।

যখন দরকার বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন, চাপের সময় লঙ্কান ডেরায় স্বস্তি এনে দিয়েছেন, পুরো ইনিংসটাকে একেবারে ক্যালকুলেট করেই সাজিয়েছেন। ছয়, চার আর তিন ছক্কায় সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ছিল প্রায় ১৬০। যা গড়ে দিয়েছে লঙ্কানদের ভীত।

শেষপর্যন্ত শ্রীলঙ্কা তুলেছে ১৮৪ রান। বোলাররা নিজেদের কাজটা করতে পারলে যা জয়ের জন্য যথেষ্ট। মিশারা ফাইনালের পথটা দেখিয়েছেন, এখন বাকিটা বোলারদের হাতে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link