শ্রেয়াস আইয়ার, পাঞ্জাবি আভিজাত্যের ধারক

পাঞ্জাবের এক্স ফ্যাক্টর কেবল ওই একজনই - শ্রেয়াস আইয়ার। তিনিই দলের চালিকা শক্তি। কাড়িকাড়ি টাকা খরচ করে তাঁকে দলে নিয়েছে পাঞ্জাব। কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে এসেছেন। যে সম্মান তাঁকে কেকেআর দেয়নি, সেটাই দিচ্ছে পাঞ্জাব।

এখনও ভারতের ক্রিকেট ভক্তদের শতকরা ৪৬ শতাংশ বলছে, এবার প্রথমবারের মত আইপিএল ট্রফি জিততে চলেছে পাঞ্জাব কিংস। অথচ, মজার ব্যাপার হল – দলের প্রথম চার জনের সবাই ভারতীয় আর এদের মধ্যে মাত্র একজনের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা আছে।

বাকি তিনজনের কেউ জাতীয় দলের ধারের কাছেও নেই। প্রিয়ানশ আরিয়ার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারটাই কেবল শুরু হল। প্রভসিমরান সিং কিংবা নেহাল ওয়াধেরা আইপিএলে প্রতিষ্ঠিত – কিন্তু জাতীয় দলের ধারের কাছেও নেই তাঁরা।

একমাত্র শ্রেয়াস আইয়ার ব্যতিক্রম। ভারতীয় দলের নিয়মিত সদস্য। ক’দিন আগেই জিতে এসেছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তবে, শ্রেয়াস আইয়ার আবার ভারতের টি-টোয়েন্টি প্ল্যানে নেই। সেই তিনিই প্রতিটা ম্যাচে টপ অর্ডার আর মিডল অর্ডারের ভারসাম্য তৈরি করেন। দলের ইনটেন্টটা বজায় রাখেন। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে তাঁর দল খেলল ঠিক হায়দ্রাবাদী ইনটেন্টেই।

অন্যদলগুলোর টপ অর্ডারে যখন ফাফ ডু প্লেসিস, নিকোলাস পুরান, রাচিন রবীন্দ্র, ফিল সল্ট বা সুনীল নারাইনদের মত তারকা দিয়ে ঠাসা। তখন, পাঞ্জাবের এক্স ফ্যাক্টর কেবল ওই একজনই – শ্রেয়াস আইয়ার। তিনিই দলের চালিকা শক্তি। কাড়িকাড়ি টাকা খরচ করে তাঁকে দলে নিয়েছে পাঞ্জাব। কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে এসেছেন। যে সম্মান তাঁকে কেকেআর দেয়নি, সেটাই দিচ্ছে পাঞ্জাব।

পাঞ্জাবকেও তিনি ফিরিয়ে দিচ্ছেন হাত ভরে। ব্যাট হাতে এখন পর্যন্ত দলের সেরা পারফরমার তিনি। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন দলকে। প্রথম দুই ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া শ্রেয়াস এবার করলেন ৩৬ বলে ৮২ রান। তাঁর সুবাদেই হায়দ্রাবাদকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারল প্রীতি জিনতার দল।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link