ফাইনালের একাদশ: সিরাজ আউট, অশ্বিন ইন?

এবারের বিশ্বকাপে একটি মাত্র ম্যাচেই সুযোগ পেয়েছেন রবিচন্দন অশ্বিন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাউন্ড রবিন লিগের সে ম্যাচটিতে বল হাতে বেশ সফলই ছিলেন এ স্পিনার। 

১০ ওভারে ৩৪ রান খরচায় নিয়েছিলেন এক উইকেট। কিন্তু টিম কম্বিনেশনে কারণেই পরের ৯ ম্যাচে আর জায়গা হয়নি অশ্বিনের। তবে গুঞ্জন আছে, ৯ ম্যাচ বাদে ফাইনালের একাদশে দেখা যেতে পারে ভারতের অভিজ্ঞ এই স্পিনারকে। 

মূলত, অস্ট্রেলিয়ার স্পিনভীতির কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। রাউন্ড রবিন লিগের ম্যাচে ভারতীয় স্পিনারদের স্পিন ঘূর্ণিতেই দুইশোর আগে অল আউট হয়ে গিয়েছিল অজিরা। ফাইনালেও এমন কিছুর সম্ভাব্যতায় তাই পেস বোলিং অপশন কমিয়ে একজন অতিরিক্ত স্পিনার একাদশে ঢুকতে পারেন। সে ক্ষেত্রে একাদশ থেকে ছিটকে যেতে পারেন মোহাম্মদ সিরাজ। 

এবারের বিশ্বকাপে বল হাতে মোটেই চেনা ছন্দে নেই এই পেসার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ বাদ দিলে অধিকাংশ ম্যাচেই বেশ খরুচে ছিলেন। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমির ম্যাচে ৯ ওভারে ৭৮ রান হজম করেছিলেন এ বোলার। ফাইনালের মঞ্চে তাই নাও দেখা যেতে পারে সিরাজকে। যদিও ভারত তাদের উইনিং কম্বিনেশন শেষ পর্যন্ত ভাঙবে কিনা, সেটি নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। 

অবশ্য অশ্বিনের অন্তর্ভুক্তিতে অতিরিক্ত ব্যাটিং অপশন যুক্ত হতে পারে ভারতের একাদশে। কিন্তু এখন পর্যন্ত টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার দারুণ সফল থাকায় ৮ নম্বরে ব্যাটিংয়ের তেমন প্রয়োজনীয়তা পড়েনি। 

তাছাড়া, শামি-বুমরাহ-সিরাজ পেসত্রয়ী একসাথে কতটা ভয়ঙ্কর প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সেটি টের পেয়েছে টুর্নামেন্টের সিংহভাগ দলই। অশ্বিনের একাদশে ঢোকার সম্ভাবনা তৈরি হলেও তাই শেষ পর্যন্ত সিরাজের উপরই ভরসা রাখতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। কারণ প্রায় দেড় মাসের এ টুর্নামেন্টে গত এক মাস ধরে খেলার মাঝেই নেই অশ্বিন। তাই ভারতীয় এ অফস্পিনারের ফাইনালের একাদশে সুযোগ পাওয়া সম্ভাবনা থাকলেও বাস্তবিক বিবেচনায় তা ক্ষীণও বটে। 

  • অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ

রোহিত শর্মা, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়াস আইয়ার, লোকেশ রাহুল, সুরিয়াকুমার যাদব, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদ্বীপ যাদব, মোহাম্মদ শামি, জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ/রবিচন্দন অশ্বিন। 

লেখক পরিচিতি

বাইশ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করার চেষ্টা করি...

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link